কলকাতা পুরসভার চূড়ান্ত সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশ! ৬৬টি ওয়ার্ড সাধারণ মহিলাদের দখলে
আগের খসড়া তালিকার তুলনায় চূড়ান্ত তালিকায় কিছু পরিবর্তনও করা হয়েছে
Truth of Bengal: আসন্ন কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের আগে প্রকাশিত হল ওয়ার্ড সংরক্ষণের চূড়ান্ত তালিকা। পুনর্বিন্যাসের পর কলকাতা পুরসভার মোট ২০৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭০টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। বুধবার রাতে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ৬৬টি ওয়ার্ড সাধারণ মহিলা এবং ৪টি ওয়ার্ড তফসিলি জাতির মহিলা প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত হয়েছে। আগের খসড়া তালিকার তুলনায় চূড়ান্ত তালিকায় কিছু পরিবর্তনও করা হয়েছে। ১৯৯৪ সালের পশ্চিমবঙ্গ পুর নির্বাচন আইন মেনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক অভিষেক কুমার তিওয়ারির তরফে ‘ফর্ম বি’-র তিন ও চার নম্বর ধারা অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন আগামী ২৮ অথবা ২৯ নভেম্বর কলকাতা ও হাওড়ায় পুরভোট করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, তফসিলি জাতির মহিলা প্রার্থীদের জন্য ২৫, ৭৫, ১৫৪ এবং ১৯৭ নম্বর ওয়ার্ড সংরক্ষিত হয়েছে। তফসিলি জাতির সাধারণ প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে ৩১, ৫২, ১২৫, ১৪৪, ১৫৮, ১৯২, ২০০ এবং ২০১ নম্বর ওয়ার্ড। তফসিলি উপজাতি প্রার্থীদের জন্য কোনও ওয়ার্ড সংরক্ষিত রাখা হয়নি। সাধারণ মহিলা প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত হয়েছে ১, ৪, ৭, ১০, ১৩, ১৬, ১৯, ২২, ২৬, ২৯, ৩৩, ৩৬, ৩৯, ৪২, ৪৫, ৪৮, ৫১, ৫৫, ৫৮, ৬১, ৬৪, ৬৭, ৭০, ৭৩, ৭৭, ৮০, ৮৩, ৮৬, ৮৯, ৯২, ৯৫, ৯৮, ১০১, ১০৪, ১০৭, ১১০, ১১৩, ১১৬, ১১৯, ১২২, ১২৬, ১২৯, ১৩২, ১৩৫, ১৩৮, ১৪১, ১৪৫, ১৪৮, ১৫১, ১৫৫, ১৫৯, ১৬২, ১৬৫, ১৬৮, ১৭১, ১৭৪, ১৭৭, ১৮০, ১৮৩, ১৮৬, ১৮৯, ১৯৩, ১৯৬, ২০২, ২০৫ এবং ২০৮ নম্বর ওয়ার্ড।
চূড়ান্ত সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক দলগুলির অন্দরেও নতুন করে প্রার্থী বাছাইয়ের অঙ্ক শুরু হওয়ার সম্ভাবনা। শাসক বিজেপির পাশাপাশি তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেসকেও একাধিক ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থী বদল করতে হতে পারে। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর জেলাশাসকের তরফে খসড়া সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই তালিকায় একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে আপত্তি জানিয়েছিল কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামেরা। বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছিল বিরোধী শিবির। পুর দফতর সূত্রে খবর, সীমানা পুনর্বিন্যাসের পর কলকাতায় নতুন করে ২০৯টি ওয়ার্ড তৈরি হওয়ায় মহিলা সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও পুরনো ‘১, ৪, ৭’ পদ্ধতি মেনে খসড়া তালিকায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হয়েছে।






