কৃতীর পর এবার দিশা! গণেশ পুজোয় ‘বোল্ড’ অবতারে ট্রোলের মুখে অভিনেত্রী
তাঁর ‘বোল্ড’ লুক ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা
Truth of Bengal: রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপনে কৃতী শ্যাননের পোশাক নিয়ে বিতর্কের রেশ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। সেই আবহেই এবার পোশাক বিতর্কে নাম জড়াল বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানির। আম্বানি পরিবারের গণেশ পুজোর অনুষ্ঠানে তাঁর ‘বোল্ড’ লুক ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রতি বছরের মতো এবারও আম্বানি পরিবারের গণেশ উৎসবে বসেছিল তারকাদের হাট। বলিউডের বহু পরিচিত মুখ হাজির হয়েছিলেন সাবেকি পোশাকে। তবে সেই ভিড়ের মধ্যেই আলাদা করে নজর কেড়েছেন দিশা। উজ্জ্বল লাল রঙের লেহেঙ্গা, তার সঙ্গে ডিপ-নেক ব্লাউজ—অভিনেত্রীর সাজ মুহূর্তেই ক্যামেরাবন্দি হয়। হালকা মেকআপ, খোলা চুল এবং হাসিমুখে পাপারাজ্জিদের সামনে একাধিক পোজও দেন তিনি।
“दिशा पाटनी”
वैसे कृति सेनन के ऐड पर बवंडर करने वालों ने अभीतक गणपति उत्सव जैसे धार्मिक आयोजन में दिशा पाटनी के इस पोशाक को लेकर शांत है..ऐसा लगता है आयोजकों ने ऐसे आयोजनों के लिए ड्रेस कोड पहले से तय करवा दिया गया था…!! pic.twitter.com/LgWylNTXZ4
— Mrigendra Pratap Singh (@MrigendraSpeaks) September 15, 2026
কিন্তু সেই ছবি এবং ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। অভিনেত্রীর অনুরাগীদের একাংশ তাঁর সৌন্দর্য ও ফ্যাশন সেন্সের প্রশংসা করলেও, অন্য অংশ প্রশ্ন তুলেছেন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এমন পোশাক কতটা মানানসই, তা নিয়ে। কেউ কেউ আবার সাম্প্রতিক কৃতী শ্যানন বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনেছেন। এক নেটিজেনের কটাক্ষ, কৃতীকে যাঁরা পোশাক নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন, তাঁদের এবার দিশার সাজও দেখা উচিত। অন্য এক ব্যবহারকারীর মন্তব্য, অনুষ্ঠানে অধিকাংশ অতিথির পোশাকে সাবেকিয়ানা থাকলেও দিশার স্টাইল বরাবরই অনেক বেশি সাহসী।
আরও এক নেটাগরিক লিখেছেন, উৎসব বদলালেও দিশার ব্লাউজের ধরন যেন খুব একটা বদলায় না। কারও মতে, গণেশ পুজোর মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আরও সংযত পোশাক বেছে নেওয়া যেত। কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, “কখনও কি একটু মার্জিত পোশাক পরা যায় না?” আবার কেউ ব্যঙ্গ করে বলেছেন, “কেউ ওঁকে একটু ভালো পোশাক কিনে দিন।” আরেকজনের টিপ্পনি, “গণপতি উদযাপনে এসেছেন, নাকি কোনও পারফরম্যান্সের মঞ্চে?” তবে সমালোচনার পাশাপাশি দিশার পাশে দাঁড়িয়েছেন বহু অনুরাগীও। তাঁদের বক্তব্য, কী পরবেন তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় এবং পোশাক দেখে কারও রুচি বা ধর্মীয় অনুভূতির বিচার করা উচিত নয়। এর আগে রাখিবন্ধনের প্রচারে কৃতী শ্যাননের পোশাক নিয়েও প্রায় একই ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই সময়ে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত-সহ একাংশ আপত্তি জানিয়েছিলেন বিজ্ঞাপনের পোশাক নির্বাচন নিয়ে। এবার দিশাকে ঘিরে নতুন বিতর্কে ফের সামনে এল সেই পুরনো প্রশ্ন—উৎসবের পোশাকে ‘শালীনতার’ সীমা ঠিক করবে কে?





