দেউলটি স্টেশনের নাম বদলের দাবি! রেলমন্ত্রীর কাছে পৌঁছল চিঠি
সংগঠনের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতির দপ্তরে এ বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে
Truth of Bengal: রাজ্যের বিভিন্ন রাস্তা ও মেট্রো স্টেশনের নাম পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এবার দেউলটি রেলস্টেশনের নাম বদলের দাবি উঠল। সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত এই স্টেশনের নাম তাঁর নামেই করার প্রস্তাব দিয়েছে অখিল ভারত হিন্দুমহাসভার পশ্চিমবঙ্গ শাখা। সংগঠনের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতির দপ্তরে এ বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার দিল্লিতে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছেও একটি চিঠি জমা দেয় সংগঠনের প্রতিনিধি দল।অখিল ভারত হিন্দুমহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি এই ডেপুটেশন দেয়। চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, দেউলটি ও তার আশপাশের এলাকার সঙ্গে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান এবং এই অঞ্চলের সঙ্গে তাঁর স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই দেউলটি স্টেশনের নাম ‘শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রেলওয়ে স্টেশন’ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সংগঠনের বক্তব্য, নাম পরিবর্তন হলে শুধু সাহিত্যিকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোই হবে না, একই সঙ্গে বাংলার সাহিত্যিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও স্থানীয় পর্যটনের প্রসারেও তা ভূমিকা নিতে পারে। স্থানীয় মানুষের আবেগের কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। হাওড়ার দেউলটি স্টেশন থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে রূপনারায়ণ নদীর তীরে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাসভবন। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি সেখানে কাটিয়েছেন। তাঁর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্মের সঙ্গে এই এলাকার স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ‘দেনা-পাওনা’ এবং ‘শেষ প্রশ্ন’-এর মতো রচনার সঙ্গেও রূপনারায়ণের এই পরিবেশের যোগ রয়েছে বলে সাহিত্যপ্রেমীদের মধ্যে প্রচলিত।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে শরৎচন্দ্রের ওই বাসভবন সংরক্ষিত রয়েছে। সেখানে তাঁর ব্যবহৃত বিভিন্ন আসবাব এবং স্মারক যত্ন করে রাখা হয়েছে। পর্যটকরাও সেই ঐতিহাসিক বাড়ি ঘুরে দেখার সুযোগ পান।





