ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির! যন্তর মন্তরে নামল র্যাফ, ব্যারিকেডে মুড়ল দিল্লি
বিজেপি শাসিত রাজ্যে ছাত্র গ্রেফতারের প্রতিবাদ! দিল্লিতে মোতায়েন বাড়তি বাহিনী, রণক্ষেত্র হওয়ার আশঙ্কা
Truth of Bengal: নিট (NEET) ও শিক্ষা কেলেঙ্কারি ইস্যুতে উত্তপ্ত রাজধানী দিল্লিতে ফের বড়সড় অশান্তির কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের ওপর আইনি ব্যবস্থার প্রতিবাদে দেশজুড়ে নতুন করে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। এই মহা-হুঁশিয়ারির পরেই নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে দিল্লিতে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে কাঁটাতারের ব্যারিকেডে, আর রাজপথে নামানো হয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)।
মঙ্গলবার সিজেপির পক্ষ থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলা হয়, কেন্দ্র সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নিট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে কোনও ধরনের শাস্তিমূলক বা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না। কিন্তু সেই কথা রাখতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। সিজেপির শীর্ষ মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা কড়া সুরে দাবি করেন, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে শতাধিক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বানিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। একের পর এক মিথ্যা এফআইআর দায়ের করা হচ্ছে তাঁদের নামে। অবিলম্বে গ্রেফতার হওয়া সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং দায়ের হওয়া সমস্ত এফআইআর অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তিনি। অন্যথায় পুরো দেশকে আন্দোলনের আগুনে স্তব্ধ করে দেওয়ার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিজেপি নেতারা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই যন্তর মন্তর চত্বরে ফিরতে শুরু করেছে পুরোনো সেই আন্দোলনের চেনা ছবি। সারিবদ্ধ ব্যারিকেড, সিআরপিএফ ও দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে পুরো এলাকাকে রীতিমতো দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি চালাতে চালানো হচ্ছে টহলদারি।
উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের সুবিচারের দাবিতে এই যন্তর মন্তরেই টানা ৩৬ দিন ধরে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়েছিল ‘আরশোলা’রা (সিজেপি)। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর কিছুটা বিরতি মিললেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে ফের যন্তর মন্তর রণক্ষেত্রের রূপ নেবে কি না, তা নিয়ে দিল্লি পুলিশ তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।






