শিক্ষক না কি ভক্ষক? কম্পিউটার ল্যাবে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস হতেই তোলপাড় তেলেঙ্গানা!
সম্প্রতি সেই ফুটেজ প্রকাশ্যে আসায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Truth of Bengal: তেলেঙ্গানার নারায়ণপেট জেলায় এক স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মদ্দুর মণ্ডলের একটি জেলা পরিষদ উচ্চ বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম স্বামী বলে শনাক্ত করা হয়েছে। জানা গেছে, গত ৭ তারিখ দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কম্পিউটারের ল্যাবে ডেকে নিয়ে তিনি অশালীন আচরণ করেন। পুরো ঘটনাটি বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এবং সম্প্রতি সেই ফুটেজ প্রকাশ্যে আসায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ఉపాధ్యాయుడి అరాచకం..విద్యార్థినిపై అసభ్య ప్రవర్తన
కొడంగల్ నియోజకవర్గం మద్దూరు మండలం మోమినపూర్ గ్రామంలోని జిల్లా పరిషత్ పాఠశాలలో విద్యార్థినితో అసభ్యంగా ప్రవర్తించిన స్వామి అనే ఉపాధ్యాయుడు
ఈ నెల 7వ తేదీన కంప్యూటర్ ల్యాబ్కు పిలిపించుకుని వెకిలి చేష్టలకు పాల్పడిన ఉపాధ్యాయుడు… pic.twitter.com/NU3s5jwPQ3
— ChotaNews App (@ChotaNewsApp) March 26, 2026
তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার কথা জানাজানি হওয়ার পর মন্ডল শিক্ষা আধিকারিক (এমইও), স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং গ্রামের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এমনকি কিছু স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাও এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে নির্যাতিতা ছাত্রীর পরিবার ও অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে রফা করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পুলিশ পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
নাবালিকাদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রেক্ষাপটে অন্য একটি ঘটনায় কড়া সাজা শুনিয়েছে আদালত। ওয়ানাপার্টি জেলার এক ব্যক্তি নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের দায়ে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। জেলা পুলিশ সুপার সুনীতা রেড্ডির উপস্থিতিতে প্রধান জেলা বিচারক এমআর সুনীতা এই রায় ঘোষণা করেন। এই রায় নারী ও শিশুদের নিরাপত্তায় একটি দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নারায়ণপেটের স্কুল সংলগ্ন এলাকায় এখন উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসার পর সাধারণ মানুষ দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের পাশাপাশি যারা এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে কোনো অবস্থাতেই অপরাধীকে রেহাই দেওয়া হবে না এবং শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।






