হরিয়ানাকে হারিয়ে রঞ্জির গ্রুপ পর্বের শীর্ষে বাংলা
রঞ্জি ট্রফিতে হরিয়ানার বিরুদ্ধে একতরফা লড়াইয়ে ১৮৮ রানে জয় পেল অভিমন্যু ঈশ্বরণের দল।
Truth Of Bengal: গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও দাপট বজায় রাখল বাংলা। রঞ্জি ট্রফিতে হরিয়ানার বিরুদ্ধে একতরফা লড়াইয়ে ১৮৮ রানে জয় পেল অভিমন্যু ঈশ্বরণের দল। লাহলির ম্যাচে বল হাতে দুরন্ত পারফরম্যান্স করলেন শাহবাজ আহমেদ। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১১ উইকেট নিয়ে কার্যত একাই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিলেন বাংলার স্পিনার অলরাউন্ডার। সাত ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই নকআউটে পৌঁছল বাংলা।ব্যাট হাতে যদিও চিন্তা বাড়াল বাংলার ব্যর্থতা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৩ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলার ইনিংস। টপ অর্ডার ভেঙে পড়লেও এক প্রান্ত আগলে লড়াই করেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ৮৬ রানের ইনিংসই প্রথম ইনিংসে বাংলার ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। জবাবে হরিয়ানাকে দাঁড়াতেই দেননি বাংলার পেস-স্পিন জুটি। আকাশ দীপ ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে শুরুটা করে দেন। পরে শাহবাজ আহমেদ ৪২ রানে ৫ উইকেট তুলে নিলে মাত্র ১০০ রানেই গুটিয়ে যায় হরিয়ানার ইনিংস।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলা শুরুটা ভালো করলেও ফের ব্যাটিং ধস নামে। তৃতীয় দিনের শুরুতে তিন উইকেটে ১৫৫ রান নিয়ে খেলা শুরু করে বাংলা। অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ (৮৩) ও সুদীপ কুমার ঘরামি (৬১) লড়াই চালালেও মাঝের ও নীচের সারির ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ২০০ রানেই শেষ হয়ে যায় ইনিংস। অনুষ্টুপ মজুমদার, রাহুল প্রসাদ, শাহবাজ আহমেদ, শাকির হাবিব গান্ধী, সুমন্ত গুপ্ত—কেউই বড় রান করতে পারেননি।
হরিয়ানার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৯৪।লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা মোটামুটি করলেও খুব দ্রুতই শাহবাজের স্পিনে ছন্নছাড়া হয়ে যায় হরিয়ানার ব্যাটিং। নবম ওভারে পরপর তিন উইকেট তুলে ম্যাচের রাশ নিজের হাতে তুলে নেন তিনি। প্রথম পাঁচটি উইকেটই ছিল তাঁর দখলে। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে হরিয়ানা। শেষ পর্যন্ত শাহবাজ ৩৮ রানে ৬ উইকেট নেন। তাঁকে সহায়তা করেন মুকেশ কুমার (৪০/২) ও আকাশ দীপ (২১/১)। মাত্র ১০৫ রানেই অলআউট হয়ে যায় হরিয়ানার ইনিংস। ফলে ১৮৮ রানের বড় জয় পায় বাংলা। গ্রুপ পর্বে একটিও ম্যাচ না হেরে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করল লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল।






