মুর্শিদাবাদে আর কোনও অশান্তি নয়, পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের
আদালত জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ব্যবহার করতে হবে।
Truth Of Bengal: ঝাড়খণ্ডে গিয়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার এক শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তাপ ছড়িয়েছিল। গত শুক্রবারের সেই অশান্তিতে সঙ্গে সঙ্গে হস্তক্ষেপ করে প্রশাসন। নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি। মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় এই গোলমাল-অশান্তির ঘটনায় উদ্বিগ্ন কলকাতা হাই কোর্টও। মঙ্গলবার এই কথা জানিয়ে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়েছে, নতুন করে যেন কোথাও কোনও অশান্তি না হয়, সর্বশক্তি দিয়ে তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এদিন বেলডাঙা সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। আদালত জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ব্যবহার করতে হবে।
ঝাড়খণ্ডে শ্রমিক মৃত্যু ঘিরে গত ১৬ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। গোলমাল হয় ১৭ জানুয়ারিও। সেই ঘটনাকে সামনে রেখে সোমবার, ১৯ জানুয়ারি কলকাতা হাই কোর্টে দু’টি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। একটি মামলা করে বিজেপি, অন্যটি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মামলাকারীদের বক্তব্য ছিল, মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যেমন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, এক্ষেত্রেও তেমনই দেওয়া হোক। আদালত এই বিষয়ে মৌখিকভাবে পরামর্শ দিয়েছে, প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সামশেরগঞ্জে মোতায়েন থাকা বাহিনীকেও কাজে লাগানো যেতে পারে।
বেলডাঙার ঘটনায় বিজেপির তরফে ইতিমধ্যেই এনআইএ তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে। যদিও তা বিবেচনার দায়িত্ব কেন্দ্রের ওপরেই দিয়েছে আদালত। কেন্দ্র ও রাজ্যকে দু’ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে হবে বলেও জানিয়েছে হাই কোর্ট।






