Maharashtra: ১ লাখ টাকার ঋণ বেড়ে ৭৪ লাখ! অবশেষে কিডনি বিক্রি করতে বাধ্য হলেন কৃষক
শেষ পর্যন্ত সেই বিপুল ঋণ পরিশোধের জন্য ওই কৃষককে জোর করে কিডনি বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
Truth of Bengal: মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর জেলায় এক ভয়াবহ ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে মাত্র ১ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে এক কৃষককে দৈনিক ১০ হাজার টাকা সুদ গুনতে হয়েছে। এর ফলে সুদ-সমেত তাঁর ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৭৪ লক্ষ টাকা। শেষ পর্যন্ত সেই বিপুল ঋণ পরিশোধের জন্য ওই কৃষককে জোর করে কিডনি বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
চন্দ্রপুর জেলার বাসিন্দা ওই কৃষকের নাম রোশন সদাশিব কুডে। রোশন জানান, তিনি চাষাবাদে লাভের মুখ দেখতে না পাওয়ায় দুধের ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই লক্ষ্যে গরু কেনা ও অন্যান্য খাতে ব্যবহারের জন্য তিনি একাধিক ঋণদাতার কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু দুধের ব্যবসা শুরুর আগেই তাঁর কেনা গরুগুলির মৃত্যু হয়। এরপর ঋণদাতাদের টাকা শোধ করার জন্য তিনি নিজের জমি, ট্রাক্টর এবং বাড়ির দামি জিনিসপত্রও বিক্রি করে দেন। কিন্তু তাতেও ঋণ শোধ হয়নি।
রোশন অভিযোগ করেছেন, এরপর এক ঋণদাতা তাঁকে নিজের কিডনি বিক্রি করার জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। এক এজেন্টের মাধ্যমে তাঁকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠানো হয় এবং পরে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানেই তাঁর কিডনি অপসারণ করা হয় বলে অভিযোগ, যা আট লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হয়।
রোশন সদাশিব কুডের অভিযোগ, শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা সত্ত্বেও তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সুবিচার না পেলে তিনি সপরিবারে মুম্বাইয়ে রাজ্য সরকারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আত্মহত্যা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অভিযুক্তরা হলেন ব্রহ্মপুরী শহরের বাসিন্দা কিশোর বাওয়ানকুলে, মনীশ কালবন্দে, লক্ষ্মণ উরকুদে, প্রদীপ বাওয়ানকুলে, সঞ্জয় বল্লারপুরে এবং লক্ষ্মণ বোরকার।






