Jammu & Kashmir: পারদ পতন অব্যাহত, শ্রীনগরে তাপমাত্রা মাইনাস ২.৮, পাহালগাম ও গুলমার্গের পরিস্থিতি কেমন?
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরের আবহাওয়ায় বিশেষ কোনো পরিবর্তন হবে না।
Truth of Bengal: জম্মু ও কাশ্মীর এখন হাড় কাঁপানো ঠান্ডার কবলে। শ্রীনগর শহর এবার মরসুমের শীতলতম রাত দেখল, যেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে হিমাঙ্কের নীচে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, শ্রীনগরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাইনাস ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে, জম্মু শহরে রাতের তাপমাত্রা ছিল ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উপত্যকা এবং জম্মু অঞ্চলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতেও তাপমাত্রা যথেষ্ট কম ছিল: শ্রীনগর: মাইনাস ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাহালগাম: মাইনাস ৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গুলমার্গ: শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরের আবহাওয়ায় বিশেষ কোনো পরিবর্তন হবে না। বরং আগামী দিনগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তুষারাবৃত পর্বতমালা থেকে কাশ্মীর উপত্যকায় যে শীতল বাতাস প্রবেশ করছে, তা থেকে বাঁচতে মানুষজনকে গরম কাপড়ে নিজেদের মুড়ে রাখতে দেখা যাচ্ছে।
কাশ্মীরের মানুষজন চিরাচরিত উপায়েই এই তীব্র ঠান্ডা মোকাবিলা করছেন। শীতকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় পোশাক হলো ‘ফেরান’ (Pheran)— একটি ঢিলেঢালা উলের পোশাক যা কাশ্মীরিদের শীত নিবারণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। এছাড়াও, ‘কাংরি’ (Kangri) নামে পরিচিত মাটির ফায়ারপট ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি উইলো বেতের ঝুড়িতে বোনা হয় এবং এর ভেতরে জ্বলন্ত কাঠকয়লা ভরে ফেরানের নীচে রাখা হয়, যা তীব্র ঠান্ডা থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।






