দেশ

UP Encounter: শিশু ধর্ষণের ‘দানবীয়’ অভিযুক্ত খতম! মিরাটের জঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু কুখ্যাত শাহজাদের

এই শাহজাদের বিরুদ্ধে গত জানুয়ারি মাসে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মতো জঘন্য অভিযোগ ছিল। জানা গেছে, শাহজাদের মাথার দাম ২৫ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল।

Truth of Bengal: উত্তরপ্রদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে এবার মৃত্যু হলো গত ৯ মাস ধরে পলাতক থাকা এক কুখ্যাত অপরাধী শাহজাদের। মিরাটের সারুরপুর জঙ্গল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে (এনকাউন্টার) তার মৃত্যু হয়। এই শাহজাদের বিরুদ্ধে গত জানুয়ারি মাসে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মতো জঘন্য অভিযোগ ছিল। জানা গেছে, শাহজাদের মাথার দাম ২৫ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল। বাহসুমার মহম্মদপুরের বাসিন্দা শাহজাদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, ডাকাতি, পকসো-সহ মোট সাতটি ফৌজদারি মামলা ছিল।

পুলিশকর্তা বিপিন টাডা জানিয়েছেন, শিশু ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত শাহজাদ ও তার সঙ্গীরা গত রবিবার নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে বন্দুক উঁচিয়ে হুমকি দেয় এবং গুলিও চালায়। এই খবর পাওয়ার পরই শাহজাদকে ধরতে পুলিশ মাঠে নামে। পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার মিরাটের সারুরপুর জঙ্গলে শাহজাদ লুকিয়ে আছে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। এই অবস্থায় অভিযুক্ত শাহজাদ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে শাহজাদের মৃত্যু হয়।

এনকাউন্টারে শাহজাদের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার পরিবার এক অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা অভিযুক্তের মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করেছে। শাহজাদের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, ১৫ বছর আগেই তারা শাহজাদের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। তারা তাকে দানব বলে উল্লেখ করে পুলিশের এই পদক্ষেপকে একেবারে সঠিক কাজ বলে সমর্থন করেছে। শাহজাদের মৃত্যু নিয়ে উত্তরপ্রদেশে গত ৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি দ্বিতীয় এনকাউন্টারের ঘটনা। মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে এটি সপ্তম এনকাউন্টার। গত ১০ অক্টোবর বরেলি পুলিশ ইফতিখার নামে এক অপরাধীকে গুলি করে হত্যা করে, যার মাথার দাম ছিল ১ লক্ষ টাকা।

এর আগে ৬ অক্টোবর সাহারানপুর পুলিশ ইমরান নামে এক অপরাধীকে মারাত্মকভাবে জখম করে, যার মাথার দাম ছিল লক্ষ টাকা। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ওই একই দিনে ফিরোজাবাদে ৩ কোটি টাকা ডাকাতির মামলার প্রধান অভিযুক্ত নরেশ পণ্ডিতকেও পুলিশের গুলিতে হত্যা করা হয়। তারও আগে ২৮ সেপ্টেম্বর মুজাফফরনগরে নঈম কুরেশি নামে এক অভিযুক্তকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে। উত্তরপ্রদেশে অপরাধ দমনে পুলিশের এই ধারাবাহিক এনকাউন্টার প্রক্রিয়া আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

Related Articles