Truth of Bengal: বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সম্পর্কের রেষারেষি আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। ফর্ম-৬ আবেদন নিষ্পত্তিতে অনিয়মের অভিযোগে চারজন নির্বাচন আধিকারিক ও এক ডেটা এন্ট্রি কর্মীর বিরুদ্ধে সাসপেনশনের নির্দেশ দিলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “নবান্ন কাউকে সাসপেন্ড করবে না”। গত দু’দিন ধরে তিনি বারবার এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু শুক্রবার নির্বাচন কমিশন ফের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, নবান্নকে অবিলম্বে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে (West Bengal)।
‘নবান্ন কাউকে সাসপেন্ড করবে না’, কমিশনের নির্দেশ প্রত্যাখ্যান মমতার pic.twitter.com/ExfZO0jdAh
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) August 8, 2025
আরও পড়ুন: মাধ্যমিক পাশে রেলে চাকরির সুযোগ! জানুন বিস্তারিত
আগামী ১১ অগস্ট সোমবার বিকেল ৩টার মধ্যে কমিশনের কাছে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বারুইপুর পূর্ব (১৩৭) ও ময়না (২০৬) বিধানসভা কেন্দ্রে ফর্ম-৬ আবেদন নিষ্পত্তিতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এর জেরে ৫ অগস্ট কমিশন মুখ্যসচিবের কাছে পাঠানো চিঠিতে বারুইপুর পূর্বের ইআরও দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, সহকারী ইআরও তথাগত মণ্ডল, ময়নার ইআরও বিপ্লব সরকার ও এআইআরও সুদীপ্ত দাসকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের সুপারিশ করা হয়। একইসঙ্গে ফর্ম-৬ প্রসেসিংয়ে যুক্ত ক্যাজুয়াল ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিত হালদারের বিরুদ্ধেও একই পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয় (West Bengal)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/
নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ, নির্দেশ জারির পরও এতদিনে রাজ্যের পক্ষ থেকে কোনও নির্দিষ্ট পদক্ষেপের রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা পড়েনি। তাই শুক্রবার কমিশনের সচিব সুজিত মিশ্র পুনরায় মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে একই নির্দেশ পুনর্ব্যক্ত করেন। এই ঘটনায় রাজ্য সরকার ও কমিশনের মধ্যে সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। নবান্নের দাবি— কমিশনের এই নির্দেশ মানতে তারা বাধ্য নয়। অন্যদিকে কমিশনের পাল্টা যুক্তি— নির্বাচনী কাজে ডেপুটেশনে থাকা অফিসারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে (West Bengal)।






