Supreme Court: নির্ধারিত সময়ের পরেও প্রধান বিচারপতির বাসভবন ছাড়েননি চন্দ্রচূড়, কেন্দ্রকে চিঠি সুপ্রিম কোর্টের
এরপর তিনি ওই বাংলোতে থেকে যাওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার কাছে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত থাকার অনুমতি চান।
Truth of Bengal: অবসরের দীর্ঘ সময় পরেও সরকারি বাংলো ছাড়েননি দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। এবার তাঁকে সেই বাসভবন খালি করতে চিঠি পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। দিল্লির ৫ নম্বর কৃষ্ণ মেনন মার্গের ‘টাইপ এইট’ ক্যাটাগরির সরকারি বাংলোটি বর্তমানে প্রধান বিচারপতিদের জন্য নির্ধারিত হলেও, চন্দ্রচূড় এখনও সেখানে বসবাস করছেন। বিষয়টি ঘিরে প্রশাসনিক স্তরে অস্বস্তি বাড়ছে।(Supreme Court)
[আরও পড়ুনঃ Real Madrid CF: জার্মান ক্লাবকে হারিয়ে শেষ চারে এমবাপে-ভিনিসিয়াসদের রিয়াল]
২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেন ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। এরপর তিনি ওই বাংলোতে থেকে যাওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার কাছে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত থাকার অনুমতি চান। তাঁর যুক্তি ছিল, তাঁর জন্য বরাদ্দ ১৪ নম্বর তুঘলক রোডের বাংলোর সংস্কার কাজ দূষণজনিত বিধিনিষেধের কারণে আটকে রয়েছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, মাসিক ৫,৪৩০ টাকা লাইসেন্স ফি দিয়ে তিনি আপাতত থাকতে পারেন। কিন্তু সেই সময়সীমাও পেরিয়ে যাওয়ার পর, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ফের ৩১ মে পর্যন্ত থেকে যাওয়ার মৌখিক আবেদন করেন। বর্তমানে সেই সময়সীমাও শেষ হয়েছে। অথচ তিনি এখনও বাংলোটি খালি করেননি। সুপ্রিম কোর্টের রুল ৩বি অনুযায়ী, কোনও বিচারপতি অবসরের পর ছ’মাস পর্যন্ত ‘টাইপ সেভেন’ শ্রেণির বাংলোয় থাকতে পারেন, তবে চন্দ্রচূড় রয়েছেন ‘টাইপ এইট’ শ্রেণির উন্নত বাংলোয়, যার নির্দিষ্ট অধিকার তিনি বর্তমানে রাখেন না।
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]
সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রককে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে বাংলোটি খালি করা প্রয়োজন। যদিও বিচারপতি চন্দ্রচূড় জানিয়েছেন, তাঁর দুই কন্যা গুরুতর অসুস্থ এবং তাঁদের দিল্লির এইমসে চিকিৎসা চলছে। সেই কারণেই তিনি এখানেই রয়েছেন। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষকে তিনি সব জানিয়ে রেখেছেন এবং যেই দিন নতুন বাংলো বসবাসযোগ্য হবে, পরের দিনই তিনি সেখানেই চলে যাবেন। বলা বাহুল্য, প্রাক্তন বিচারপতিদের সরকারি বাংলোয় থাকার সময়সীমা মাঝে মধ্যেই কিছুটা বাড়ানো হয়, তবে সুপ্রিম কোর্টের তরফে কেন্দ্রকে চিঠি পাঠিয়ে এমন সরাসরি বাংলো খালি করার অনুরোধ – এমন নজির সচরাচর দেখা যায় না।






