রাজ্যের খবর

অসমে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ ৬৮৬ কোটি, বাংলা ৩১৩ কোটি, চা- বঞ্চনা ইস্যুতে সরব তৃণমূল

Central allocation in Assam is 686 crores, Bengal 313 crores, Trinamool is vocal on the issue of deprivation

Truth Of Bengal: চা-বাগানের কেন্দ্রীয় বরাদ্দেও আমরা-ওরার সংস্কৃতি বজায় রাখার কথা উঠে এল। চা পর্ষদের ৭০তম বার্ষিকী রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে বিজেপি শাসিত অসম পেয়েছে ৬৮৬কোটি টাকা, আর পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে ৩১৩কোটি টাকা। চা পর্ষদের ৭০তম বার্ষিক রিপোর্টে শ্রমিকদের কল্যাণে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের বছরভর খরচের যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তাই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চরমে।কেন্দ্রীয় বঞ্চনা ইস্যুতে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের আদিবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বুলুচিক বরাইক মনে করছেন,বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার,আর অসমে বিজেপির সরকার থাকার জন্য এই বৈষম্য করা হয়েছে।কোনওভাবেই মানা হয়নি সংবিধান।

উল্লেখ্য, ২০২১-২২সালের বাজেটে ‘প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক প্রোউৎসাহন যোজনায়’ পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের মাধ্যমে অসম ও বাংলার চা বলয়ের জন্য ১হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।ঠিক হয় সেই অর্থ দিয়ে বাগান শ্রমিকদের স্বাস্থ্য,শিক্ষা সহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে কাজ করা হবে।চা পর্ষদের হিসাব বলছে, চলতি অর্থবর্ষে কেন্দ্র অসমে খরচ করছে প্রায় ৩৪৪ কোটি টাকা। পশ্চিমবঙ্গে খরচ হয়েছে ১৫৭ কোটি টাকা। আগামী অর্থবর্ষে অসমে খরচ হবে ৩৪২ কোটি। এই রা্জ্যে  সেখানে ব্যয় হতে পারে ১৫৬ কোটি টাকা।

ফলে এই দুই রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের দুই রকম দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রাজনৈতিক স্তরে জোরদার বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ১০০দিনের কাজের প্রকল্প,আবাস যোজনা বা গ্রামীণ সড়ক যোজনার মতো দ্বিচারিতা কেন করা হচ্ছে তা নিয়ে মুখর তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার জেরে বাড়ছে রাজ্যে ক্ষোভ।উত্তরবঙ্গের মানুষকে বঞ্চিত করছে বিজেপি। এরকমই অভিযোগ করে আগামীদিনে আরও বেশি সরব হতে চায় তৃণমূল  কংগ্রেস।

২০১৯এ লোকসভা ভোটে বিজেপি চা-বলয়ের অধিকাংশ আসনে জিতেছিল।পশ্চিমবঙ্গে তাঁদের সাংসদ ছিলেন ১৮জন।আর ৫বছর পর চা বলয় সহ উত্তরবঙ্গে তাঁদের ধস নামে।তৃণমূল লোকসভার মতোই ধূপগুড়ি বিধানসভার উপ-নির্বাচনেও বিপুল ভোট পেয়ে বিজেপির থেকে আসন ছিনিয়ে নিয়েছে।এই অবস্থায় এই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার তথ্য সামনে আসায় উত্তরবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার আরও জোরদার করতে তত্পর তৃণমূল কংগ্রেস।

চা পর্ষদের হিসাব অনুসারে, চলতি অর্থবর্ষে কেন্দ্র অসমে খরচ করছে প্রায় ৩৪৪ কোটি টাকা। এ রাজ্যে খরচ হয়েছে ১৫৭ কোটি। আগামী অর্থবর্ষে অসমে খরচ হবে ৩৪২ কোটি। বঙ্গে সেখানে ১৫৬ কোটি টাকা। ‘‘এই বরাদ্দ সংবিধান না মেনে করা হয়েছে। অসমে বিজেপি সরকার এবং এ রাজ্য তৃণমূল সরকার থাকার জন্যই এই বৈষম্য।’’

Related Articles