West Bengal Police: বাংলায় সম্প্রীতি বজায় রাখতে কড়া পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত পুলিশের
এখানেই শেষ নয়, পুলিশ এটাও স্পষ্ট করে দেয় যে ধর্মান্ধতাজনিত হিংসা তারা বরদাস্ত করবে না।
Truth of Bengal: রবীন্দ্রনাথ-নজরুলদের মাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে। দুর্গাপুরে হওয়া একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে নিজেদের ফেসবুক হ্যান্ডেল থেকে তারা জানিয়ে দিয়েছে যে এমন অপরাধ ভবিষ্যতে করা হলে কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এখানেই শেষ নয়, পুলিশ এটাও স্পষ্ট করে দেয় যে ধর্মান্ধতাজনিত হিংসা তারা বরদাস্ত করবে না।(West Bengal Police)
[আরও পড়ুনঃ Oval Clash: “এটার দরকার ছিল না” আকাশদ্বীপের কীর্তি নিয়ে বক্তব্য ট্রেসকথিকের]
সম্প্রতি, মুর্শিদাবাদ থেকে শুরু করে মহেশতলা সহ বাংলার একাধিক জায়গা থেকে উঠে এসেছে ধর্মান্ধতাজনিত হিংসার খবর, যা ঘিরে শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। রাজ্য সরকারকে লাগাতার কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় বিরোধীদের। বিজেপির বক্তব্য, তৃণমূল কংগ্রেসের তোষণের রাজনীতি এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। যদিও শাসকদলের তরফ থেকেও তড়িঘড়ি পাল্টা দেওয়া হয়েছে। ঘাসফুল শিবির পাল্টা গেরুয়া শিবিরের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে এবং দাবি করেছে যে তারা বাংলা সহ গোটা ভারতবর্ষে হিংসা ছড়াচ্ছে।(West Bengal Police)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/]
এমন পরিস্থিতিতে এবার কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশের (West Bengal Police)তরফ থেকে। নিজেদের ফেসবুক থেকে তারা এই ব্যাপারে সব জানিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছে, “গতকাল দুর্গাপুরে দুইজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে সম্পূর্ণ অকারণে নিগ্রহ এবং মারধর করে একটি রাজনৈতিক দলের কিছু দুষ্কৃতী। ঘটনায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং দু’জন দুষ্কৃতীকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যে যারা আঘাত হানার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা আগেও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি, এবং ভবিষ্যতেও নেব। ধর্মান্ধতাজনিত হিংসা সহ্য করা হবে না।”
এরপরই শুরু হয় কমেন্ট করা। অনেকেই অনেকরকম কথা বলেন। কেউ প্রশংসা করেন, আবার কেউ দাবি করেন যে শাসকদলের দেখানো পথে হাঁটছে পুলিশ এবং তারাও ঘাসফুল শিবিরকে তোষণের রাজনীতি করে মদত দিচ্ছে। এক কথায় বলতে গেলে, মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসে এই পোস্ট থেকে। যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন যে পুলিশের তরফ থেকে একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার দেখার বিষয় যে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি কি পদক্ষেপ নেয়।






