রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিজি কে? ক্যাট-এর নির্দেশে নবান্নে শুরু চরম তৎপরতা
ট্রাইবুনালের নির্দেশ মেনেই শুক্রবারের মধ্যে ডিজিপি এমপ্যানেলমেন্ট সংক্রান্ত প্রস্তাব ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
Truth of Bengal: রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ নিয়োগ ঘিরে দীর্ঘদিনের টানাপড়েনের মধ্যেই কড়া বার্তা দিল দিল্লির সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল । ট্রাইবুনালের নির্দেশ মেনেই শুক্রবারের মধ্যে ডিজিপি এমপ্যানেলমেন্ট সংক্রান্ত প্রস্তাব ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।নবান্ন সূত্রে খবর, ইউপিএসসি-র নির্ধারিত নিয়ম মেনেই ১০ জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নাম প্যানেলে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২৩ জানুয়ারি ছিল এই প্রস্তাব পাঠানোর শেষ দিন।
এই মামলার সূত্রপাত ১৯৯০ ব্যাচের আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমারের করা একটি আবেদনের মাধ্যমে। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই বিষয়টির শুনানি হয় ক্যাটে। শুনানিতে ট্রাইবুনাল স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রশাসনিক দেরি বা গাফিলতির কারণে কোনও যোগ্য অফিসারের ‘বিবেচনার অধিকার’ খর্ব করা যায় না। একবার এমপ্যানেলমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেলে মাঝপথে নিয়ম বদল বা নতুন ব্যাখ্যা চাপিয়ে দেওয়াও আইনসঙ্গত নয় বলে পর্যবেক্ষণ ট্রাইবুনালের।
প্রসঙ্গত, রাজ্যে ডিজিপি পদ নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয় ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে। সুপ্রিম কোর্টের প্রকাশ সিংহ বনাম কেন্দ্র মামলার নির্দেশিকা অনুযায়ী, ডিজিপি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারকে অন্তত তিন মাস আগে ইউপিএসসি-র কাছে প্রস্তাব পাঠাতে হয়। অভিযোগ, সেই নির্দেশিকা মানা হয়নি।পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রায় দেড় বছর পরে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই ইউপিএসসি-র কাছে প্রস্তাব পাঠায়। এই দীর্ঘ দেরি নিয়েই শুরু হয় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, প্রস্তাব পাওয়ার পরেও ইউপিএসসি দীর্ঘদিন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইউপিএসসি রাজ্যের প্রস্তাব ফেরত পাঠিয়ে জানায়, এত দেরিতে প্রস্তাব পাঠানোর আগে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি নেওয়া উচিত ছিল। এই সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ করে সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হন রাজেশ কুমার। আগামী ২৮ তারিখের মধ্যে নতুন ডিজি নির্ধারণ করতে হবে।






