‘সকালে নায়িকা, বিকেলে ভিলেন!’ বিজেপিতে যোগ দিতেই কোয়েলকে তীব্র আক্রমণ কল্যাণের
তাঁর এই দ্রুত দলবদল ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক তরজা
Truth of Bengal: তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই পদত্যাগ করেছিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। এবার সেই কোয়েলই বিজেপির হয়ে রাজ্যসভা উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন। আর তাঁর এই দ্রুত দলবদল ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক তরজা। কোয়েলকে সবচেয়ে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন মমতা তৃণমূলের নেতা তথা শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীর পুরনো তৃণমূল-যোগের প্রসঙ্গ টেনে তাঁর কটাক্ষ, “এক সময় শুভেন্দু অধিকারীও তৃণমূলে ছিলেন। এরা সবাই ভালো অভিনেত্রী। সকালে নায়িকা, বিকেলে ভিলেন।”
কোয়েলের দলবদল নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই কোয়েলকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সুযোগ দিয়েছিলেন। কুণালের কটাক্ষ, মমতা মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় তৃণমূলের টিকিটে সাংসদ হতে আপত্তি ছিল না, অথচ ক্ষমতার পালাবদলের পরই বিজেপিতে যোগ দিতে হল। কুণাল বলেন, “কোয়েল মল্লিক বিশিষ্ট অভিনেত্রী। তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভেবেছিলেন। তখন তৃণমূল খুব ভালো লাগত, আর আজ মমতা মুখ্যমন্ত্রী নেই বলে বিজেপিতে যেতে হল?” তাঁর আরও দাবি, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট মানুষকে রাজনীতিতে এনে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দিয়েছিলেন মমতা। কিন্তু কয়েকজনের আচরণ সেই ‘সৌজন্য’-র সীমা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
অন্যদিকে কোয়েলকে প্রার্থী করা নিয়ে কোনও বিতর্ক দেখছে না বিজেপি। দলের নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ নেই, আর্থিক অনিয়মেও তাঁর নাম জড়ায়নি। ফলে তাঁকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করায় আপত্তির কারণ নেই বলেই মত বিজেপির। নিজে অবশ্য দলবদলের বিতর্কে ঢুকতে চাননি কোয়েল। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তিনি বলেন, “সব দলই নিজেদের মতো করে ভালো কাজ করার চেষ্টা করে। আমি ভাগ্যবান যে যে দলে সুযোগ পাচ্ছি, তারা গত কয়েক মাসে মানুষের জন্য একাধিক ভালো কাজ করেছে।”






