রাজ্যের খবর

Justice March: নবান্ন অভিযান- বিরোধীদের আমন্ত্রণ অভয়ার পরিবারের, পাল্টা তৃণমূলের

Justice March – the grieving family of Dr Abhaya (RG Kar rape‑murder victim) appeals to all non‑TMC opposition to join a mass protest march to Nabanna on August 9 seeking justice.

Truth Of Bengal: দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আগামী ৯ই আগস্ট আরজি কর হত্যাকাণ্ডের বর্ষপূর্তি(Justice March)। সেই উপলক্ষে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে মৃত মহিলা চিকিৎসক, ওরফে অভয়ার পরিবারের তরফ থেকে। সকল বিরোধী রাজনৈতিক দলকে এতে অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তিলোত্তমার পরিবারের তরফ থেকে। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে ঘাসফুল শিবির ও বিজেপি।

[আরও পড়ুনঃ Konnagar: কোন্নগর তৃণমূল নেতা হত্যাকাণ্ডে পুলিশের জালে কুখ্যাত গ্যাংস্টার]

বিজেপি মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “পুরো সহমর্মিতা রয়েছে আমাদের অভয়ার পরিবারের প্রতি। সংবিধান আমাদের প্রতিবাদ করার অধিকার দিয়েছে নাগরিক অধিকার রক্ষার্থে।” নবান্ন অভিযানকে কটাক্ষ করে তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “কি করে পরিবার বলছে যে বিচার পাওয়া যায়নি(Justice March)। ওরাই তো সিবিআই চেয়েছিল। অভিযুক্তকে ধরে প্রমাণ দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। রায় ও দিয়েছে কোর্ট। বিচারপ্রক্রিয়া তো এটাই আমাদের দেশের। ওনারা কি চাইছেন? বলছে বিচার পাননি? তদন্ত তো সিবিআই করছে। তাতে এত অখুশি কেন।”

FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal

প্রসঙ্গত, ঘটনার সূত্রপাত গতবছর ৯ই আগস্ট থেকে। আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা বাংলা(Justice March)। বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে। যদিও ঘাসফুল শিবিরও পাল্টা দেয়। জুনিয়র ডাক্তার থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজ, সকলেই পথে নেমে প্রতিবাদ জানান। নবান্ন অভিযানও করা হয়। পাশাপাশি, অনশনেও বসেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

তবে শেষ পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে ফাঁসির পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের শাস্তি দেওয়া হয়। অন্যদিকে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে ধর্ষণ ও খুন মামলায় জামিন দেওয়া হয়। এবার ফের নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে দেখার বিষয় যে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয় পরিস্থিতি সামাল দিতে। কি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই দিনে? এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে চারিদিকে।

Related Articles