খেলা

AB de Villiers: ডিভিলিয়ার্সের বিধ্বংসী ইনিংস, ফাইনালে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে করেছিলেন ৪১ বলে সেঞ্চুরি, ম্যাচ শেষ করেন ৫১ বলে ১১৬ রানে অপরাজিত থেকে।

Truth of Bengal:  বয়স তো শুধুই একটা সংখ্যা। আর সেটা আরও একবার প্রমাণ করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন কিংবদন্তি ব্যাটার এবি ডিভিলিয়ার্স। বয়স ৪১ পেরোলেও আগ্রাসনে এতটুকু ভাঁটা পড়েনি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লেজেন্ডস লিগের ফাইনালে মাত্র ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করে ফের একবার তুলে ধরলেন কেন তাঁকে ‘মিস্টার ৩৬০’ বলা হয়।  লেজেন্ডস লিগে দারুণ শুরুর পরও ফাইনালে জয়ের স্বপ্ন পূরণ হল না পাকিস্তানের। প্রথমে ব্যাট করে তারা তোলে ১৯৫ রান। শারজিল খান (Sharjeel Khan) ৪৪ বলে ৭৬ ও উমর আমিন ১৯ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন। ব্যাট হাতে দারুণ স্কোর গড়ে পাক দল, কিন্তু তাতেও আটকানো গেল না ডিভিলিয়ার্সের ব্যাটিং বিস্ফোরণ।(AB de Villiers)

[আরও পড়ুনঃ Army Assault: বিমান কর্মীদের লাথি-মারধর! সেনাকর্তার হামলায় গুরুতর আহত ৪]

জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার শুরু থেকেই ছিল ভয়ডরহীন। মাত্র ৬ ওভারে স্কোরবোর্ডে উঠে যায় ৭২ রান। হাশিম আমলা ১৮ রানে আউট হলেও, অপর প্রান্তে ডিভিলিয়ার্স(AB de Villiers) ছিলেন অবিচল। সঙ্গে ছিলেন জেপি ডুমিনি। দু’জনে মিলে একপ্রকার তছনছ করে দেন পাকিস্তান বোলিং। শেষমেশ ৬০ বলে ১২০ রানে অপরাজিত থাকেন ডিভিলিয়ার্স। মারেন ১২টি চার ও ৭টি ছক্কা। অপরাজিত ২৮ বলে ৫০ করেন ডুমিনি। ম্যাচ শেষ হয়ে যায় তখনও ১৯ বল বাকি। পাকিস্তানকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে লেজেন্ডস লিগের শিরোপা জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন এবিডি।

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/]

এই লিগে এর আগেও দারুণ ছন্দে ছিলেন ডিভিলিয়ার্স। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে করেছিলেন ৪১ বলে সেঞ্চুরি, ম্যাচ শেষ করেন ৫১ বলে ১১৬ রানে অপরাজিত থেকে। ডিভিলিয়ার্সের(v) এই বিধ্বংসী ইনিংস দেখে মুগ্ধ ভারতীয় প্রাক্তন ক্রিকেটার সুরেশ রায়না। তিনি বলেন, ‘ ডিভিলিয়ার্স অসাধারণ খেলেছে। পুরো উড়িয়ে দিয়েছে ওদের। আমরাও খেললে হারিয়ে দিতাম পাকিস্তানকে।’ প্রসঙ্গত, সেমিফাইনালে পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ভারতের। কিন্তু সীমান্তে সন্ত্রাস ও পহেলগাঁও হামলার ঘটনার পর ভারতের দল যুবরাজ সিং, সুরেশ রায়নাদের নেতৃত্বে খেলতে অস্বীকার করে। তাঁদের স্পষ্ট বার্তা ছিল, সন্ত্রাস আর খেলা একসঙ্গে চলতে পারে না। ভারতের নাম প্রত্যাহারের ফলে ফাইনালে উঠে যায় পাকিস্তান। কিন্তু ডিভিলিয়ার্সের রুদ্র মেজাজে সেই পাকিস্তানকেই একেবারে গুঁড়িয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা।