রাজ্যের খবর

স্কুলে নেই কোনও ছাত্র-ছাত্রী, পড়ুয়া না থাকায় শিক্ষাঙ্গনে ছন্দপতন

He is sitting on unpaid primary school teachers because there are no students in the school

The Truth of Bengal: বসে বসে বেতন নিচ্ছে অবৈতনিক প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা। কারণ স্কুলে নেই কোনও ছাত্র-ছাত্রী।সোনারপুরের দক্ষিণ শ্রীপুর বিদ্যালয়ে পড়ুয়া না থাকায় শিক্ষাঙ্গনে ছন্দপতন হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। শিক্ষালয়ে পড়ুয়াদের ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলে আশ্বাস দেন স্থানীয় কাউন্সিলর।

শিক্ষকরা স্কুলে যাতায়াত করে  নিয়মিত। শিক্ষকরা স্কুলে আসে  যায়,কিন্তু পড়াশোনা করাতে হয় না।স্কুলে বসে থেকে তারপর বাড়ি চলে যান মাস্টারমশাইরা। কারণ সোনারপুরের দক্ষিণ শ্রীপুর   স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা শূন্য। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ছাত্রছাত্রী কমতে থাকে, এখন তা শূন্যে এসে দাঁড়িয়েছে। এই স্কুলে ছাত্রছাত্রী না আসায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরাও।

রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার কলকাতা লাগোয়া ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের এই প্রাথমিক স্কুলটি এখন ভগ্ন দশা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যাত্রাপালার রিয়েসালের জন্য স্টেজ ও করা রয়েছে স্কুলের এক কক্ষে। এছাড়াও খাওয়া-দাওয়ার জন্য সেখানে তৈরি করা হয়েছে একটি অস্থায়ী কাঠের চুলো। গোটা স্কুল জুড়ে ভর্তি হয়ে রয়েছে আগাছায়, যার ফলে বাড়ছে সাপের উপদ্রব।বাংলা জাগোর ক্যামেরায় শিক্ষাঙ্গনের এই হতশ্রী দশা দেখার পর ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা।

এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অনিতা ঢালী তিনি জানান, এবছর অর্থাৎ ২০২৪ এর জানুয়ারি মাস থেকে একেবারে শূন্য হয়ে গেছে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা। প্রাইমারি স্কুল ম্যানেজমেন্টকে এই স্কুলের বিষয়ে জানানো হয়েছে। স্কুলের সভাপতি তথা রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপিতা বরুণ সরকার   বলেন, আশেপাশে প্রাইমারি স্কুলের সাথে হাই স্কুল একসাথে থাকায় তারা সেখানেই চলে যাচ্ছে।

ড্রপ আউট হয়ে যাওয়া পড়ুয়াদের আবার স্কুলে ফিরিয়ে আনার জন্য পদক্ষেপ করার আশ্বাস দেন তিনি। এখন এই স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার কোন পরিকল্পনা নেওয়া হবে, নাকি এই স্কুলকে পুনরায় আবার নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা চালাবে প্রাইমারি স্কুল কর্তৃপক্ষ? এই প্রশ্নই এখন  ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকার   মানুষের মধ্যে

Related Articles