
The Truth of Bengal: ফসল মাঠে মারা যাওয়ায় এখন সরকারি সাহায্যের প্রত্যাশায় দিন গুণছেন চাষিরা। গত বছর সেপ্টেম্বরে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে বাঁকুড়ার গ্রামে ঢোকে ৪০টি হাতির দল। একটি বাচ্চা হাতির মৃত্যু হওয়ায় আক্রমণাত্মক ভাবে গ্রামে ঢোকে দলটি। জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে দুই পুলিশ কর্মীকে আহত করে হাতির দল। তারপর এবার বছরের শুরুতেই হানা দিল দলমার দল। ভিনরাজ্য থেকে আগত হাতির দল ফসলের দফারফা করে। বিষ্ণুপুরের পাঞ্চেত বনবিভাগের অন্তর্গত খিরাইবনী মোবারকপুর বেলিয়া এলাকায় বিঘের পর বিঘে জমি নষ্ট করে ১৫টি হাতি। উন্মত্ত হাতির তাণ্ডবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। তাতে মন খারাপ অন্নদাতাদের।কি করে এই ক্ষতি মিটবে তা ভেবেই পাচ্ছেন না কৃষকরা।
বনবিভাগ কিছু ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।তাতে কিছুটা আশায় রয়েছেন চাষিরা। গত পাঁচ মাস ধরে বাঁকুড়া জেলার উত্তর বনবিভাগে ছিল প্রায় ৭০টি হাতির দল। এবার উত্তর বনবিভাগ থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর মুখী দলটি। প্রথম দফায় ১০ টি হাতি শনিবার রাতে উত্তর বনবিভাগ থেকে বিষ্ণুপুর পাঞ্চেত বনবিভাগ হয়ে পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দ্বিতীয় দফায় আরও ১৫ টি হাতির দল রবিবার ভোরে পাঞ্চেত বনবিভাগের জয়পুর বিষ্ণুপুর হয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রবেশ করেছে।
১৫ টি হাতির দল রবিবার গভীর রাতে জয়পুর রেঞ্জের খিরাইবনী ও মোবারকপুর বেলিয়া এলাকায় আলু জমিতে ব্যাপক তান্ডব চালায়। আলুর ক্ষেতে নেমে তছনছ করে আলুর ক্ষেত। এর ফলে ওই দুটি এলাকায় বিঘের পর বিঘে আলু জমির ক্ষতি হয়েছে। কুয়াশার কারনে হাতি নিয়ন্ত্রন করতে সমস্যায় পড়তে হয়েছে বনদফতরকে। এলাকায় যে ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতিপূরন যাতে সঠিক ভাবে কৃষকরা পায় সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বনবিভাগ। বনদফতর ও প্রশাসনের আশ্বাস পেয়ে নতুন উদ্যমে আলুচাষে মন দিচ্ছেন বাঁকুড়ার কৃষকরা।






