রাজ্যের খবর

ভোট মিটলেই অ্যাকশন! ‘ইউপি মডেল’ এনকাউন্টারের হুঁশিয়ারি দিলীপের

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর: ‘মে মাসের পর পুলিশ দেখবেন পাল্টে যাবে, উত্তরপ্রদেশের মতো এনকাউন্টার করে কেমন ভেতরে ঢোকাচ্ছে।’ এভাবেই কার্যত আবারও কু-কথার ফুলঝুরি শোনা গেল খড়গপুরের বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে।

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “তৎকালীন খড়গপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রদীপ সরকার আজকে ভোটের জন্য রামনবমীকে প্রাধান্য দিচ্ছে, ২০২০-২১ সালে যখন করোনা মহামারী হয়েছিল, তখন উনি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে খড়গপুরে রামনবমীর আখড়া বন্ধ করতে গিয়েছিল। ওসিকে সঙ্গে নিয়ে কেস দেওয়া আর হুমকিও দেন তিনি। আমরা সেই সমস্ত আখড়ার পাশে থেকেছি আমি আমার কর্মীরা ও যাঁরা রাম ভক্ত। এবং আখড়াও বেরিয়েছে আমরা র‍্যালিও করেছি, কোন বেটার দম হয়নি গায়ে হাত দেওয়ার। পরে পুলিশ আমার নামে এখানকার দু-চারজন কার্যকর্তার নামে কেস দিয়েছিল। আমরা নাকি অস্ত্র নিয়ে এখানে ভয় দেখিয়েছি। এখন বিশাল বড় কাট-আউট লাগিয়ে রাম ভক্তি দেখাচ্ছেন, মনে কীসের ভক্তি ভোটের।” প্রচারে বেরিয়ে কার্যত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রদীপ সরকারকে এভাবেই অল-আউট আক্রমণ করলেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।

তিনি আরও বলেন, “যাঁরা ভয় পাবে, দিলীপ ঘোষ তাদেরকে আরও ভয় দেখাবে। এটাই দিলীপ ঘোষের স্টাইল! দম থাকলে আমার সামনে এসো। তুমি ভয় পাও কেন ভাই, অন্যের মাল লুট করবে, আমাদের পিছনে লাগবে, পুলিশ দিয়ে চমকে ভোট করতে যাবে আর আমি চমকাব না। খড়গপুরের লোক সেজন্যই দিলীপ ঘোষকে ভোট দেয়, আবার দেবে। এখানকার গুন্ডা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে আমি লড়াই করেছি, আবার লড়ব। এবার তো লড়তে হবে না, ভেতরে ঢোকাব! কারণ এবার ক্ষমতায় আসবে বিজেপি, পশ্চিমবাংলায় পরিবর্তন হবে। যে পুলিশ আজ গুন্ডা-মাফিয়াদের সঙ্গে বসে চা খাচ্ছে, তারাই উত্তরপ্রদেশের স্টাইলে এখানে পুলিশ এনকাউন্টার করবে তখন দেখতে পাবেন।”

Related Articles