পুজোর মুখে বাংলা পাচ্ছ বিরাট গিফ্ট! ! হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নয়া প্ল্যান্ট উদ্বোধন নিয়ে কী জানালেন দিলীপ?
দিলীপের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার পর শিল্পপতিদের মধ্যে বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ছে
Truth of Bengal: শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি—একাধিক ইস্যুতে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। বুধবার হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের ফেনল প্ল্যান্টের উদ্বোধনকে ঘিরে শিল্পক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি। প্রায় ৬০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে দিলীপের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার পর শিল্পপতিদের মধ্যে বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ছে। এই উদ্যোগকে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দিলীপ ঘোষের কথায়, “ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল। বিজেপি সরকার আসতে সবার মনে হচ্ছে এবার অনুকূলতা আসবে। তাই পুজোর আগেই আমরা সবাইকে গিফট দিতে চাইছি। সারা দেশ-বিদেশ থেকে শিল্পপতিরা আসছেন। তাঁদের জন্যও বার্তা, আসুন।”
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও রাসায়নিকের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা শিল্পমহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ‘অ্যাডপার্মা’র হাত ধরে সংস্থার সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পে আরও প্রায় ৬০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফেনল ও অ্যাসিটোন উৎপাদনের ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ওষুধ, গাড়ি এবং ইলেকট্রনিক্স শিল্পে প্রয়োজনীয় রাসায়নিকের জোগান আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিদেশ থেকে রাসায়নিক আমদানির উপর নির্ভরতা কমতে পারে। পাশাপাশি পূর্ব ভারতে অনুসারী শিল্পের বিকাশ এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনাও রয়েছে। শিল্পের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে রাজ্যে আরও বিনিয়োগ আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।
এদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের তলব করার প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দেন দিলীপ ঘোষ। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, “পুলিশের প্রশাসনের চলতেই থাকে। এটা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।” অর্থাৎ, এই বিষয়টিকে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখছেন তিনি। অন্যদিকে, পুজোর মুখে হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির কর্মীদের প্রস্তাবিত কর্মবিরতি নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বুধবার দুপুর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, গত দু’মাসের বেতন এবং পুজোর বোনাস এখনও বকেয়া রয়েছে। এই কর্মবিরতি শুরু হলে কলকাতা ও হাওড়ার মধ্যে ফেরি পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।






