সরকারি সহায়তায় সেজে উঠবে রাধিকাপুরের বায়ো ডাইভার্সিটি উদ্যান, লক্ষ্য পর্যটনে আকর্ষণ বাড়ানো
Bio diversity park of Radhikapur will be developed with government support

The Truth of Bengal: পর্যটনে আকর্ষণ বাড়াতে রাধিকাপুরের বায়ো ডাইভার্সিটি উদ্যানের পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হচ্ছে।নয়া টয়লেট, সৌর বিদ্যুত চালিত পানীয়জল পরিষেবা সহ একাধিক কাজকর্ম চলছে। যার জন্য ৭০লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। টাঙ্গন নদীর তীরে থাকা উঃদিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের এই জীব বৈচিত্র্যে ভরা উদ্যান অনেকেরই পয়লা পছন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে। টাঙ্গন নদীর তীরে রয়েছে খোলামেলা পরিবেশে এই উদ্যান।যেখানে রয়েছে জৈব বৈচিত্র্যে ভরা পরিবেশের নানা উপাদান। নদীর পারে নিরিবিলি পরিবেশকে সাজিয়ে-গুছিয়ে তোলার জন্য নেওয়া হয়েছে,বিশেষ প্রকল্প।প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা খরচ করে এই উদ্যানকে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে।যেখানে দূরদূরান্তের মানুষ গেলে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে পারবেন।নদীর পারের নিরিবিলি আবগে যাতে পর্যটকরা আলাদা অনুভূতি বয়ে আনে জন্য উদ্যানকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
নতুন টয়লেট থেকে সৌর বিদ্যুত চালিত পানীয় জল,সীমানা প্রাচীর থেকে সুসজ্জিত বাগান,সবই ভ্রমণপিপাসুদের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কায়িলাগঞ্জের রাধিকাপুরের এই জৈব বৈচিত্র্যে ভরা উদ্যান নতুনত্বে ভরে উঠছে।রাজ্য পরিবেশ দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় বায়ো ডাইভার্সিটি উদ্যান গড়ার উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির মাধ্যমে বায়ো ডাইভার্সিটি উদ্যানের জন্য সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি নতুন টয়লেট এবং সৌর বিদ্যুত চালিত পরিশ্রুত পানীয়জল প্রকল্পের জন্য ১০ লক্ষ টাকার টেন্ডার আহ্বান করেছে পঞ্চায়েত সমিতি। উত্তর দিনাজপুর জেলাপরিষদের তরফে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে রাধিকাপুর পর্যটন কেন্দ্র ময়দানের বাকি অংশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ হবে। কালিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জানান, টাঙ্গন নদীর পাড়ে পর্যটন কেন্দ্রের নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে কিছুটা সময় কাটাতে বর্তমানে প্রতিদিনই বহু মানুষ যাচ্ছেন।
ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শীতের মরসুমে পর্যটন কেন্দ্রের ময়দানে পিকনিক করতে ভীড় উপচে পড়ে। সবদিক বিবেচনা করেই রাধিকাপুর পর্যটন কেন্দ্রের পরিকাঠামো উন্নয়নের উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উত্তর দিনাজপুর জেলার লাইফ-লাইন কালিয়াগঞ্জ ব্লকের ৩ নম্বার অঞ্চল রাধিকাপুর। রাধিকাপুরের উপর দিয়ে বয়ে গেছে বাংলাদেশ থেকে আসা টাঙ্গন নদী‚ পাশেই রয়েছে ভারত-বাংলাদেশের কাঁটাতারের বেঁড়া। টাঙ্গন নদীর পাড়ে রয়েছে পিকনিক স্পট এবং বিনোদন পার্ক।সবমিলিয়ে দুই পারের মানুষের মাঝে এই নতুন পর্যটনকেন্দ্র যে আর্থিক সম্ভাবনার ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে,সেবিষয়ে আশাবাদী জনপ্রতিনিধিরা।






