
The Truth of Bengal: যে দিকে চোখ যায়, শুধুই পাহাড় আর পাহাড়।পাহাড়প্রেমী এবং যারা অ্যাডভেঞ্চার করতে পছন্দ করেন তাদের জন্য আদর্শ ঠিকানা উত্তরবঙ্গে পাহাড়ের কোলে অবস্থিত গুরদুম। এখানে গেলে কম খরচে পূর্ব হিমালয়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। ঘুমন্ত হ্যামলেট এই গুরদুম। সান্দাকফু ট্রেক করতে চাইলে এই পাহাড়ি গ্রামে এক রাত কাটিয়ে যাওয়া যায়। শ্রীখোলা যাওয়ার পথে পড়ে এই পাহাড়ি গ্রাম।প্রায় ৮ হাজার ফুট উচ্চতায় সিঙ্গোলিলা জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত এই গুরদুম। ব্যস্ত শহর থেকে বেরিয়ে কোলাহল থেকে দূরে পাহাড়ে কোলে কাটান।
সাদা মেঘ, ভোরবেলা পাহাড়ের গা বেয়ে উঠছে হালকা লালে রাঙা সূর্য। গুরদুম থেকেই দেখতে পাবেন এই মনোরম দৃশ্য।গোটা গ্রাম ঘেরা রডোডেনড্রন আর পাইনে। পাহাড়ের ধাপে ধাপে ফসলের ক্ষেত দেখে চোখ জুড়িয়ে যাব। রুক্ষ পাথুরে জমিতে সবুজের উৎসব। হরেক পাখি আর হরেক ফুলের মেলা বসে যায় এই পাহাড়ি ছোট্ট গ্রামে।পাহাড়ি ফুল অর্কিডের ও দেখা মিলবে এই পাহাড়ি গ্ৰামে । চারিদিক সবুজে মোরা এই শান্ত পরিবেশে রয়েছে নেপালি জনজীবন। রয়েছে সুস্বাদ মোমো। আর রয়েছে সেই পাহাড়ি গ্রামের নৈসর্গিক দৃশ্য।
সূর্য ডুব দিলেই পাহাড়ে আর কোনও কিছু করার থাকে না। তাই যতক্ষণ সূর্যের আলো রয়েছে, ঘুরে দেখে নিন গোটা গ্রাম। গ্রাম ঘোরা হয়ে গেলে এখান থেকে যেতে পারেন মাজুয়া। পায়ে হেঁটে, ট্রেক করেও পৌঁছানো যায় মাজুয়া। কি ভাবে যাবেন সেই বিষয়ে এবার নিশ্চয়ই কৌতুহল জাগছে আপনার মনে! কি তাই তো? ট্রেনে করে প্রথমে নামতে হবে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে। এখান থেকে গুরদুমের দূরত্ব ১৩০ কিলোমিটার। সেখান থেকে দার্জিলিং মোড়ে গিয়ে রিমবিকের গাড়ি ভাড়া করে নিন। রিমবিক যাওয়ার পথে আপনাকে নামিয়ে দেবে গুরদুম। গুরদুমে বেশ কয়েকটি হোমস্টে রয়েছে। এছাড়া গুরদুমে থাকতে পারেন তাঁবুতে। এই অভিজ্ঞতাও অ্যাডভেঞ্চারের চাইতে কম কিছু নয়।






