ভ্রমণ

বছর শেষের আগে ঘুরে আসুন তীর্থের স্থান বক্রেশ্বর থেকে

Tourism of West Bengal

The Truth of Bengal: শীতের মরশুম পড়তেই বক্রেশ্বর ধামে বাড়তে শুরু করেছে পর্যটকদের ভিড়। বরাবরই উষ্ণ প্রস্রবণের কারণে বিখ্যাত বীরভূমের বক্রেশ্বর। উষ্ণ প্রস্রবণের ঘাটে রয়েছে ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদাভাবে স্নান করার জায়গা।শীতের দিনে গরম জলের ঘাটে স্নান সেরে দর্শনার্থীদের পুজো দিতে যাওয়ার সুবিধা রয়েছে বক্রেশ্বরে।   তাছাড়াও শিবের ধাম ও সতী পিঠের কারণেও বহু পর্যটকের সমাগম লেগে থাকে। সিউড়ি থেকে বক্রেশ্বরের দূরত্ব মাত্র ১৮ কিমি। উষ্ণ প্রস্রবণের পাশাপাশি একদিকে রয়েছে বক্রনাথ শিব ও অন্যদিকে মহিষমর্দিনী যার টানে অসংখ্য দর্শনার্থী এখানে এসে থাকেন।

বক্রেশ্বরের শিবের মন্দির আকারে বেশ ভালোই বড়। মন্দিরের ভিতরে রয়েছে অষ্টামুনির একটি শিলা ও শিবের একটি শিলা খণ্ড। কথিত আছে ঋষি অস্টামুনির নাম অনুযায়ী এই অঞ্চলের নাম হয়েছে বক্রেশ্বর। এছাড়াও এখানে আসলে দেখতে পাবেন ভৈরব নাথের মন্দির, পাপহরা নদী। শীতে সর্বত্রই ভ্রমণ পিপাসুরা কয়েক দিনের ছুটি পেয়েই বেড়িয়ে পড়েন ঘুরতে। পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতেই এলাকার ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সেবায়েতদের মুখে চওড়া হাসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

মূলত সারা বছরই এখানে টুকটাক করে পর্যটকদের আগমন ঘটলেও শীতের মরশুমে আলাদা করে পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। কনকনে ঠান্ডায় প্রকৃতির গরম জলে স্নানের আনন্দ আলাদা আর সেই আনন্দ নিতেই দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা এখানে এসে ভিড় জমান। অন্যান্য বছরের মতো এই বছরও ইংরেজি নববর্ষের আগে থেকেই পর্যটকদের ভিড় জমতে শুরু করেছে এই অঞ্চলে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছর পর্যটকদের ভিড় অনেক বেশি বলেই মনে করছেন স্থানীয় মানুষ থেকে সেবায়েত এবং ব্যবসায়ীরা।

এবার ভাবছেন তো কিভাবে যাবেন? বক্রেশ্বর ঘুরতে আসতে গেলে প্রথমে আপনাকে ট্রেনে করে চলে আসতে হবে সিউড়ি স্টেশন। তারপর সিউড়ি থেকে বাসে অথবা গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যান বক্রেশ্বরে। এছাড়াও কলকাতার ধর্মতলা থেকেও বক্রেশ্বরে আসার অনেক বাস পেয়ে যাবেন। বক্রেশ্বরে থাকার জন্য রয়েছে অসংখ্য হোটেল এবং ধরমশালা তাই থাকার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা আপনাদের হবে না।

Free Access

 

Related Articles