প্রযুক্তি

Fake Detection: দোকানবাজার হোক কিংবা অনলাইনে ই-কমার্স সাইট থেকে কেনা জিনিসপত্র আসল না নকল বলে দেবে স্মার্টফোন

ভারতে ওষুধ ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নকল হয়।

Truth of Bengal: দোকানবাজার, শপিং মলে গিয়ে সশরীরে কেনাকাটাই হোক কিংবা অনলাইনে ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে অর্ডার দিয়ে কেনাকাটা, অনেক সময় ক্রেতারা বুঝতে পারেন না জিনিসপত্র যা কেনা হয়েছে তা আসল। নাকি একেবারে ঠকে গিয়ে তিনি নকল মাল হাতে পেয়েছেন। অনেক সময় জালিয়াতি করে লোক ঠকিয়ে নকল মাল ক্রেতাকে গছিয়ে দেওয়া প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। যেমন, অনেক সময় আমরা দোকান বাজার থেকে নকল খাদ্যদ্রব্য বা ওষুধ কিনে ফেলি অজান্তেই। এসব জিনিস নিঃসন্দেহে প্রাণ সংশয়ের কারণ হতে পারে। ভারতে ওষুধ ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নকল হয়। হলোগ্রাম, কিউআর কোড থাকলেও তা জালিয়াতদের পক্ষে নকল করা অসম্ভব নয় (Fake Detection)।

আরও পড়ুন: Malda neglect: বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েতে সড়কের অবহেলা, তৃণমূলের তীব্র অভিযোগ

বিশ্বাস বস্তটাই যখন জুয়ো খেলার শামিল হয়ে উঠছে তখন হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোনের সাহায্যেই বোঝা যাবে কোনো জিনিস আসল নাকি নকল। আইআইটি কানপুরের অধীনে থাকা স্টার্টআপ সংস্থা চেককো অত্যাধুনিক থ্রি ডি সিগনেচার প্রযুক্তি তৈরি করেছে। সংস্থার দাবি এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি মানুষের আঙুলের ছাপের মতোই ক্লোন বা কোনো ভাবে নকল করা যায় না। কেনার সময় জিনিস অথেনটিক কিনা তা ক্রেতা খুব সহজে বুঝতে পারবেন। ২০১৭ সালে প্রণব আস্থানা ও সতীশ চন্দ্র মিলে চেককো নামক স্টার্টআপ সংস্থা গড়েন (Fake Detection)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/193NB43TzC/

দুজনেই জানান, তাঁরা ফিজিক্যালি আনক্লোনোবেল ফাংশনস প্রযুক্তির সাহায্যে যে কোনো পণ্যের তাৎক্ষণিক থ্রি ডি ফিঙ্গার প্রিন্ট তৈরি করেন। যা মানুষের আঙুলের ছাপের মতোই ক্লোন করা যায় না। থ্রি ডি ফিচারের সঙ্গে কিউআর কোড ম্যাপ যোগ করা হয়েছে। ফিজিক্যালি আনক্লোনোবেল ফাংশনস প্রযুক্তির সঙ্গে এআই প্রযুক্তি মেশানো হয়েছে। স্মার্টফোনে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা চেককো অ্যাপের মাধ্যমে প্যাটার্ন স্ক্যান করলেই হবে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বোঝা যাবে পণ্য আসল না নকল। কিউআর কোড স্ক্যান করার মতোই সহজ পদ্ধতি (Fake Detection)।

Related Articles