Sandeep Resigns: দলের পদে না থাকলেও ইস্টবেঙ্গল সুপার কাপ জিতুক, মন থেকে চাইছেন সন্দীপ
হয়ত সন্দীপ তার ব্যতিক্রম। এখনও নিজেকে লাল-হলুদের প্রাক্তন ফুটবলার হিসেবে ভেবে গর্ববোধ করেন জাতীয় দলের প্রাক্তন এই গোলরক্ষক
সুদীপ্ত ভট্টাচার্য: গত সোমবার একটা খবরেই শোরগোল পড়ে গিয়েছিল ফুটবল মহলে। গোয়ায় গিয়ে ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক কোচ সন্দীপ নন্দীর সঙ্গে মতবিরোধের জেরে পদত্যাগ করেছেন একদা লাল-হলুদের হয়ে বিভিন্ন সময়ে চুটিয়ে খেলা সন্দীপ। কিন্তু যতই তিনি দলের কোচের পদ থেকে সরে আসুন না কেন, এখনও তাঁর হৃদয়ে রয়ে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু প্রফেশনাল যুগে তো এই ছবি দেখা যায় না। হয়ত সন্দীপ তার ব্যতিক্রম। এখনও নিজেকে লাল-হলুদের প্রাক্তন ফুটবলার হিসেবে ভেবে গর্ববোধ করেন জাতীয় দলের প্রাক্তন এই গোলরক্ষক।
ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক কোচ হিসেবে এখন তাঁর অধ্যায় অতীত হয়ে গিয়েছে। লাল-হলুদ আগামী ২৫ তারিখ সুপার কাপে তাদের অভিযান শুরু করবে। সেই ম্যাচে শুধু নয়, গোটা টুর্নামেন্টে দল ভাল খেলে ট্রফি জয় করুক এটা মনেপ্রাণে চান সন্দীপ। ফোনে সন্দীপ বলেন, ‘আমি ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক কোচ হিসেবে পরে যুক্ত হয়েছি। তার আগে আমি এই দলের প্রাক্তন ফুটবলার। এত সহজে ভুলি কি করে এই ক্লাবের জার্সি গায়েই আশিয়ান কাপ জয় করেছি। সুতরাং আমি সব সময়ই চাইব ইস্টবেঙ্গল যেন সুপার কাপে ভাল পারফরম্যান্স করে চ্যাম্পিয়ন হয়। তাহলে আমিও খুশি হব। এবং ট্রফি জয় করতে গেলে দলের প্রতিটি সদস্যের যে রকম সেরাটা দিতে হয়, আমার আশা ফুটবলাররা সেটা দিয়েই নিজেদের প্রমাণ করে দ্বিতীয়বারের মত এই ট্রফি জয় করতে সমর্থ হবে। ম্যাচ খেলতে মাঠে নামার আগে তাই আমার তরফ থেকে আগাম শুভেচ্ছা রইল দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য।’
গোলরক্ষক কোচের পদ থেকে সন্দীপের পদত্যাগের পর যেভাবে সতীর্থরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তার জন্য সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান সন্দীপ। সোমবারের ঘটনার পর এরপর কি কর্তাদের তরফ থেকে কি কোনও কিছু বলা হয়েছে আপনাকে? এই বিষয়ে সন্দীপ বলেন, ‘আমার তরফ থেকে আমি যা, যা বলার সকলকে জানিয়েছি। তবে এটা মৌখিকভাবে। যেহতু দল এখন সুপার কাপ খেলছে, সেই কারণে আমি চাইনা কর্তা থেকে ইন্সভেস্টদের বিব্রত করতে। সুপার কাপ মিটে গেলেই, আমি গোটা ঘটনার বিবরণ দিয়ে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন, ইমামি ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ এবং এফপিএ ও রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে লিখিত ভাবে জানাতে চান বলেও জানালেন সন্দীপ।






