Cough Syrup: কাশির সিরাপে প্রাণহানি! রাজস্থান-মধ্যপ্রদেশে শিশু মৃত্যু বেড়ে ১১
এই আবহে মধ্যপ্রদেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে নয় জন।
Truth of Bengal: কাশির সিরাপ খাওয়ার পর একাধিক শিশু মৃত্যু ও অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য। রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে পরপর এমন ঘটনা সামনে আসার পর তদন্তে নেমেছে জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র । এই আবহে মধ্যপ্রদেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে নয় জন। সেইসঙ্গে রাজস্থানে মৃত্যু হয়েছে দুইজনের। আর তাতেই কাশি সিরাপ খেয়ে প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ১১ জন। এই প্রসঙ্গে মধ্যপ্রদেশের পারাসিয়ার এসডিএম শুভম যাদব বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আমরা প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছি। আমাদের কাছে ১,৪২০ জন শিশুর তালিকা আছে যারা সর্দি, জ্বর এবং ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছিল (Cough Syrup)।
তাই আমরা একটি নিয়ম তৈরি করেছি যে যদি কোনও শিশু দুই দিনের বেশি অসুস্থ থাকে, তাহলে তাদের সিভিল হাসপাতালে ছয় ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। যদি তাদের অবস্থার অবনতি হয়, তাহলে তাদের জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। তারা সুস্থ হয়ে উঠলে, তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে আশা কর্মীরা তদারকি করেন। ‘ এই বিতর্কের মাঝে এ বার ঘটনার অনুসন্ধান শুরু করল এনসিডিসি। ইতিমধ্যে এনসিডিসি-র প্রতিনিধিদল বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে নমুনা সংগ্রহ করেছে। ওই ওষুধগুলি থেকে কোনও সংক্রামক রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা আছে কি না, তা যাচাই করতে নমুনাগুলি পরীক্ষা করা হবে (Cough Syrup)।
এর পরে সেই রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ওষুধ নিয়ামক কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হবে বলে সূত্রের খবর। বস্তুত, দুই রাজ্য প্রশাসনও ইতিমধ্যে ওই ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। সেই পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে পায়নি প্রশাসন। এই আবহে রাজস্থান মেডিক্যাল সার্ভিসেস কর্পোরেশন (আরএমএসসিএল)-এর তরফে মোট ১৯টি ব্যাচের সিরাপ বিক্রি এবং ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাই অভিভাবক, চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর (Cough Syrup) ।






