দিদির হাত থেকে দল ছিনিয়ে নেওয়ার লড়াই! বিধানসভা শেষেই সিইও দফতরে ঋতব্রতরা
নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি জানিয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা
Truth of Bengal: তৃণমূলের দখল নিয়ে সংঘাত আরও তীব্র হল। সোমবার নিউ টাউনের বিলাসবহুল হোটেলে বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়েই ‘সর্বভারতীয় তৃণমূলের’ জাতীয় কর্মসমিতি ঘোষণা করেছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। মঙ্গলবার সেই লড়াইকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঋতব্রত শিবির। জানা গিয়েছে, বিধানসভার অধিবেশন শেষ হওয়ার পর তাঁরা সিইও দফতরে যাবেন। সেখানে নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি জানিয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সোমবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে তৃণমূলের চেয়ারপার্সন দাবি করে জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দেন। তার পরই পাল্টা তৎপরতা বাড়ায় বিদ্রোহী শিবির।
গত ৫ জুন তৃণমূলের বৈঠকে জাতীয় কর্মসমিতিতে রদবদল করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরেই দলের একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে গত সপ্তাহে ফের তালিকা সংশোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই তালিকা থেকে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসদের নাম বাদ দেওয়া হয়। বদলে রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হকের নাম যুক্ত করা হয় বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই তালিকাই কমিশনে পাঠানো হয়।
এর পাল্টা সোমবার ‘বিশেষ অধিবেশন’ ডাকে ঋতব্রত শিবির। জেলা থেকে আসা বহু নেতা সেই বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূলের’ চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি ৩০ সদস্যের জাতীয় কর্মসমিতিও গঠন করা হয়েছে। এবার সেই কমিটির বৈধতা দাবি করতেই সিইও দফতরে যাচ্ছে ঋতব্রত শিবির।






