ঋতব্রত না শোভনদেব? বাজেট অধিবেশনের দিনই বিরোধী দলনেতা ঘোষণার জল্পনা
বিরোধী দলনেতা নিয়োগ নিয়ে আদালত কী নির্দেশ দেয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তুঙ্গে
Truth of Bengal: বঙ্গ বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলার শুনানি শেষ হলেও আপাতত রায়দান স্থগিত রাখলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। বৃহস্পতিবার এই মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে বৃহস্পতিবার থেকেই বিধানসভায় শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন। রাজ্যপালের ভাষণের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের অধিবেশন শুরু হবে। তার ঠিক আগে বিরোধী দলনেতা নিয়োগ নিয়ে আদালত কী নির্দেশ দেয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তুঙ্গে।
গত কয়েকদিন ধরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে এই মামলার শুনানি চলছিল। শুনানির সময় স্পিকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিশেষ করে ১৯ মে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বিরোধী দলনেতা নিয়োগের প্রস্তাব পাওয়ার পরও কেন স্পিকার অপেক্ষা করেছিলেন, তা জানতে চায় হাই কোর্ট। স্পিকারের তরফে আদালতে জানানো হয়, ১৯ মে যে চিঠি পাঠানো হয়েছিল, তাতে বিজয়ী বিধায়কদের বৈঠক কবে হয়েছিল এবং সেই বৈঠকে কোনও রেজল্যুশন পাশ হয়েছিল কি না, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেওয়া হয় বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
স্পিকারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ৩ জুন বিধানসভার বিরোধী রাজনৈতিক দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৬ জন সশরীরে হাজির হয়ে বিরোধী দলনেতা ও চিফ হুইপ নিয়োগের প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই ৩ জুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্যদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সওয়ালে তিনি বলেন, “ঋতব্রত এবং অন্যান্যরা কে? তাঁরা কি পার্টির প্রেসিডেন্ট নাকি সেক্রেটারি? বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা কি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন, নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নেবেন?”






