কলকাতা

Public Petition: নবান্ন অভিযান রুখতে জনস্বার্থ মামলা? কারণ জানালেন পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত

এবার সেই পথেই হাঁটলেন পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত। দায়ের করতে চলেছেন জনস্বার্থ মামলা। বৃহস্পতিবার তিনি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তাদের।

Truth Of Bengal: ফের নবান্ন অভিযানের জল গড়ালো কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত। হাট ব্যবসায়ীদের পর এবার আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত। তাঁর অভিযোগ, লাগাতার নবান্ন অভিযান চাপ ফেলছে হাওড়ার জনজীবনের উপর। এখানেই শেষ নয়, তাঁর আরো অভিযোগ, এর ফলে চলাচল করা নাগরিকদের অধিকারও লঙ্ঘিত হচ্ছে। তাই এর প্রতিবাদ জানাতে তিনি জনস্বার্থ মামলা (Public Petition) দায়ের করতে চলেছেন।

সম্প্রতি, বিরোধীদের তরফ থেকে একাধিকবার নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে, যার জেরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বেশ চাপে পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। কয়েকদিন আগেও চাকরি ও ডিএ আন্দোলনকারীদের তরফ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে ফের এই কর্মসূচি নেওয়া হতে পারে। স্বাভাবিকভাবে, এমনটা হলে যে পরিস্থিতি খুব একটা ভাল হবে না, তা না বললেও চলে। এক সপ্তাহ আগে মঙ্গলাহাট ব্যবসায়ীদের তরফ থেকে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল এর প্রতিবাদ জানাতে এবং তারপর আদালত জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে (Public Petition)।

এবার সেই পথেই হাঁটলেন পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত। দায়ের করতে চলেছেন জনস্বার্থ মামলা। বৃহস্পতিবার তিনি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তাদের। এই প্রসঙ্গে তিনি চলাচলকারীদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। সুভাষ বাবু বলেন, “এই নবান্ন অভিযান হওয়ার ফলে পুলিশের তরফ থেকে শহরের মূল রাস্তাগুলিতে ব্যারিকেড বসানো হচ্ছে এবং এর ফলে সারাদিন রাস্তা বন্ধ থাকছে। না অ্যাম্বুলেন্স চলতে পারছে, না স্কুল ছুটির পর পড়ুয়ারা সুষ্ঠুভাবে বাড়ি পৌঁছাতে পারছেন। চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।”

সুভাষ বাবুর আরও অভিযোগ, “এই নবান্ন অভিযানের ফলে মানুষ ঠিকভাবে স্টেশনে পৌঁছাতে পারেন না। অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে ২৫ লক্ষ নিত্যযাত্রী ও ১৫ লক্ষ বসবাসকারীর জীবন। রাজনৈতিক দলগুলির গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য আমাদের সাংবিধানিক অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। এটা চলতে দেওয়া যেতে পারে না এবং নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত দরকার। সেই কারণেই আমি জনস্বার্থ মামলা (Public Petition) দায়ের করতে চলেছি আদালতে।”

Related Articles