কলকাতা

নবান্ন অভিযান: আন্দোলনকারীদের একাধিক বিস্ফোরক পদক্ষেপের তথ্য দিল পুলিশ

এরপরই পুলিশের তরফ থেকে একটি ভিডিয়ো দেখানো হয় এবং জানানো হয় যে মৃদু লাঠিচার্জ করা হয়েছিল।

Truth Of Bengal: দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: গত শনিবার নবান্ন অভিযানের (Nabanna Protest) পর পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতিতার মাকে মারধর করার পাশাপাশি একাধিক অভিযোগ তোলা হয়। পাল্টা পুলিশকে গালিগালাজ করার অভিযোগও ওঠে। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা কাটার পর মঙ্গলবার এই নিয়ে বৈঠকে বসেন যুগ্ম কমিশনার হেডকোয়ার্টার মিরাজ খালিদ, যুগ্ম কমিশনার অপরাধ রুপেশ কুমার, ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দ্রিরা মুখোপাধ্যায়। এদিন এই সংক্রান্ত একাধিক তথ্য দেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: Migrant Workers: নয়ডা-গুরগাঁওয়ে গৃহকর্মী সঙ্কট, পরিযায়ী শ্রমিকেরা শহর ছেড়ে ফিরে যাচ্ছেন বাংলায়]

মিরাজ খালিদ বলেন, “নবান্ন চলো নিয়ে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ করেছে বলে জানতে পারি। তাদের ইমেল করা হলে তারা বলে যে তারা আয়োজক নয় এবং তারপর আদালত যায়। পুলিশ সাঁতরাগাছি বা রানী রাসমণিতে বিক্ষোভ দেখানো যেতে পারে বলে জানিয়েছিল। প্রেস ব্রিফিং করেও বলা হয়। ৯ তারিখে পুলিশ ছিল। ৫০০ মতো লোক ছিল। মিছিল রানী রাসমণি না গিয়ে হঠাৎ ডোরিনা গিয়ে সাউথের দিকে যায়। তখন পুলিশ বাধা দেয় এবং বলে রুট তো ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওরা কথা শোনেনি। পার্ক স্ট্রিটের দিকে যেতেই থাকে। পুলিশকে মারধর করা হয়েছে। পাঁচ জন জখম হয়েছে। রেকর্ড হয়েছে ৬টি কেস।”

এরপরই পুলিশের তরফ থেকে একটি ভিডিয়ো দেখানো হয় এবং জানানো হয় যে মৃদু লাঠিচার্জ করা হয়েছিল। তারপরই নির্যাতিতার মাকে আঘাত করা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাতে তিনি বলেন, “উনি আহত হন, এটা আমরা চাইনি। খতিয়ে দেখেছি পুলিশকে ফেলে মারা হয়েছে। কিন্তু কোথাও দেখা যাচ্ছে না যে পুলিশ মেরেছে। তখন বহু মিডিয়া সেখানে ছিল। তাদের কাছে যদি কোন ছবি বা ভিডিও থাকে পুলিশের মারার, তাহলে শেয়ার করতেই পারে।”

[আরও পড়ুন: Fake Aadhaar: মালদায় জাল আধার কার্ডের চক্রে গ্রেফতার ২, বাংলাদেশ সীমান্তে চাঞ্চল্য]

প্রসঙ্গত, নবান্ন অভিযানের (Nabanna Protest) দিন পার্ক স্ট্রিটে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীদের লাঠিচার্জ করে পুলিশ, যার ফলে অনেকে আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও পুলিশপক্ষেরও অনেকে আহত হয়েছেন। তবে পুলিশের লাঠির আঘাতে নির্যাতিতার মা আঘাত পান এবং পরে রেসকোর্সের পাশে অবস্থান বিক্ষোভে বসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁকে ডিসচার্জ করা হয়েছে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে শেক্সপিয়ার সরণি থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন নির্যাতিতার বাবা।

Related Articles