Migrant Workers: নয়ডা-গুরগাঁওয়ে গৃহকর্মী সঙ্কট, পরিযায়ী শ্রমিকেরা শহর ছেড়ে ফিরে যাচ্ছেন বাংলায়
Migrant workers leaving Noida-Gurgaon cause severe domestic helper shortages as many return to West Bengal amid police crackdowns.
Truth Of Bengal: ‘রান্নার লোক ও পরিচারিকা দরকার’ শুধুমাত্র এই বার্তাটি এখন নয়ডার গৌর সিটি সেভেন্থ অ্যাভিনিউ সহ আশপাশের হাউজিং সোসাইটিগুলির বাসিন্দাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ঘুরছে(Migrant Workers)। গত দু’সপ্তাহ ধরে নয়ডা ও গুরগাঁওয়ের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় এমন পোস্ট বাড়ছে হু-হু করে। কারণ, হঠাৎ করেই শতাধিক বাঙালি পরিযায়ী গৃহকর্মী শহর ছেড়ে ফিরে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, রান্না, কাপড় ধোয়া, বাসন মাজা, ঘর পরিষ্কার সব ধরনের গৃহস্থালি কাজে এই শ্রমিকদের ওপর নির্ভরশীল শত শত পরিবার।তারা এখন বিপাকে।
[আরও পড়ুনঃ Fake Aadhaar: মালদায় জাল আধার কার্ডের চক্রে গ্রেফতার ২, বাংলাদেশ সীমান্তে চাঞ্চল্য]
শ্রমিকদের হঠাৎ চলে যাওয়ার পেছনে দুটি প্রধান কারণ সামনে এসেছে। প্রথমত, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের কড়া অভিযান, যেখানে বহু বাংলাভাষী শ্রমিককে আটক করা হয়েছে(Migrant Workers)। দ্বিতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগে বিশেষ ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় আতঙ্ক। ফলে নয়ডা-গুরগাঁও থেকে অনেকেই ট্রেনের টিকিট কেটে গ্রামে ফিরে যাচ্ছেন। বলা বাহুল্য, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়েছে গুরগাঁও থেকে ফেরত এক শ্রমিকের অভিযোগ, পুলিশ তাঁকে বাংলাদেশি ভেবে আটক করে মারধর করেছে। আর তাতেই দিল্লি ছেড়েছেন বহু পরিযায়ী শ্রমিক।
FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু সংসদে বলেছিলেন, ভারতে প্রায় দু’কোটি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। এই ইস্যু জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হলেও, বর্তমান অভিযানে মানবিক সঙ্কটও তৈরি হয়েছে(Migrant Workers)। দিল্লিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের অধিকাংশই নয়ডা ও গুরগাঁওর কর্পোরেট ও আইটি শহরগুলোতে গৃহকর্মের কাজ করেন। রাস্তা পরিষ্কার, গাড়ি ধোয়া থেকে শুরু করে রান্না ও বাসন মাজা, সবই তারা করতেন।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলিতে প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক রাজ্যে ফিরে গিয়েছেন, পরে এই সংখ্যাটি আরও বেশি হতে পারে।নয়ডার গৌর সিটির পাশের হাইবাতপুর বস্তিতে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বহু শ্রমিক থাকতেন। এখন সেই বস্তির অনেক ঘর তালাবন্ধ বাসিন্দারা পালিয়ে গেছেন। আর তাদের অনুপস্থিতিতে কর্মজীবী পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে।






