Khudiram Basu: বিপ্লবী ক্ষুদিরামের অবমাননা! হিন্দি ছবিতে নাম বদল নিয়ে সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন স্বাধীনতার জন্য যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদের অপমান করছে কেন? ক্ষুদিরামকেও কি ভাষা-সন্ত্রাসীরা ছাড়বে না?
Truth of Bengal: সালটা ১৯০৮। তারিখটা ১১ অগস্ট।বাংলার বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান করেছিলেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকা এই বীরের মৃত্যুদিন বাঙালির কাছে একই সঙ্গে গর্ব আর বেদনার। প্রয়াণ দিবসে সোমবার বিপ্লবীকে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন,
“একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি, হাসি হাসি পরব ফাঁসি, দেখবে ভারতবাসী”— এর সঙ্গে ক্ষুদিরামকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানান। তবে শ্রদ্ধা জানাতেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী, ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন অভিযোগ—সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত একটি হিন্দি ছবিতে বিপ্লবী ক্ষুদিরামের নাম বদলে ‘ক্ষুদিরাম সিং’ করা হয়েছে। ছবির নাম উল্লেখ না করলেও ইঙ্গিত স্পষ্ট—অভিনেতা অক্ষয় কুমারের ‘কেশরী ২’ (Khudiram Basu)।
“একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি
হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী”বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর প্রয়াণ দিবসে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম।
একটা কথা লিখি। সম্প্রতি একটি হিন্দি ছবিতে বিপ্লবী ক্ষুদিরামকে ‘সিং’ বলা হয়েছে। স্বাধীনতার জন্য যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদের অপমান করা হচ্ছে কেন? পথিকৃৎ…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) August 11, 2025
আরও পড়ুন: True Freedom: ভারত বহু সংস্কৃতির দেশ, কিন্তু এক বিশেষ সংস্কৃতিকে ‘জাতীয়’ বলে চাপানোর চেষ্টা
মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন তুলেছেন, “স্বাধীনতার জন্য যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদের অপমান করা হচ্ছে কেন? অমর বিপ্লবী ক্ষুদিরামকেও কি ভাষা-সন্ত্রাসীরা ছাড়বে না? আমাদের মেদিনীপুরের অদম্য কিশোরকে দেখানো হয়েছে পাঞ্জাবের ছেলে হিসেবে—এ অসহ্য।” তিনি আরও জানান, ক্ষুদিরামের জন্মস্মৃতি বিজড়িত মহাবনী ও সংলগ্ন এলাকার উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকার গঠন করেছে মহাবনী ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (Khudiram Basu)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/
প্রসঙ্গত, ‘কেশরী ২’ মূলত জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড নিয়ে হলেও ছবিতে একাধিক তথ্যভ্রান্তি রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বাংলার ক্ষুদিরাম বসু ও বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে ‘অবাঙালি’ হিসেবে দেখানোর ঘটনাই সবচেয়ে বেশি বিতর্কের জন্ম দেয়। ছবিতে ক্ষুদিরামের নাম হয় ‘ক্ষুদিরাম সিং’ আর বারীন্দ্রকুমার ঘোষের নাম হয়ে যায় ‘বীরেন্দ্র কুমার’। এর জেরে একাধিক এফআইআর দায়ের হয়, পথে নেমেছিল সংগঠন বাংলা পক্ষ। প্রয়াণ দিবসে সেই ইস্যুতেই ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী (Khudiram Basu)।






