Kasba Law College: অনির্দিষ্ট কালের জন্য সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল গভর্নিং বডি
ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি কলেজের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে (Kasba Law College)।
Truth of Bengal: কসবা আইন কলেজে ঘটে যাওয়া গণধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে। ঘটনার জেরে পরিস্থিতি সামাল দিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল কলেজের গর্ভনিং বডি। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি কলেজের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে (Kasba Law College)।
অনির্দিষ্ট কালের জন্য সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল গভর্নিং বডি pic.twitter.com/76dSP3c0xT
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) June 30, 2025
সূত্রের খবর, গত শুক্রবার সকাল থেকেই কসবা আইন কলেজে গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে শুরু হয় উত্তেজনা। অভিযোগ, গত বুধবার সন্ধ্যায় এক ছাত্রীকে কলেজে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। নির্যাতিতার দাবি, তিনি সেখানে পৌঁছনোর পর তিন যুবক তাঁর উপর চড়াও হয় এবং তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। শুধু তাই নয়, কাউকে কিছু না বলার জন্য হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ (Kasba Law College)।
পরদিন ওই ছাত্রী কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে লালবাজারের তরফে দ্রুত তদন্তে নামে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। শুরুতে পাঁচ সদস্যের এই দল শনিবার থেকে নয় সদস্যে রূপান্তরিত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা এবং তিন অভিযুক্তের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য (Kasba Law College)।
তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময় কলেজে ধর্ষণের কিছু ভিডিও রেকর্ড করা হয় এবং সেগুলি একটি নির্দিষ্ট সোশাল মিডিয়া গ্রুপে শেয়ার করা হয়। গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মনোজিত, জায়েব, প্রমিত এবং মনোজিতের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন। সন্দেহ, এই গ্রুপ থেকেই ভিডিও বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই সূত্র ধরেই পুলিশ গ্রুপের বাকি সদস্যদের জেরা করতে চলেছে। তাঁদের মোবাইল ফোনও পরীক্ষার আওতায় আনা হতে পারে (Kasba Law College)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/
শনিবার সন্ধ্যায় অভিযুক্তদের সঙ্গে নিয়ে কলেজ চত্বরে ঘটনার পুনর্গঠন করে পুলিশ। কোথায় কীভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তার বিবরণ দিয়েছে অভিযুক্তরা। ইউনিয়ন রুম, গার্ড রুম— প্রতিটি স্থানের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা হয়েছে।পরিস্থিতির ভয়াবহতা ও কলেজ চত্বরের অশান্ত পরিবেশ বিবেচনায় গর্ভনিং বডির তরফে নেওয়া হয়েছে কলেজ বন্ধের কঠিন সিদ্ধান্ত। কবে থেকে পুনরায় কলেজ খোলা হবে, তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।






