Kasba Incident: কসবা কাণ্ডে গ্রেফতার আরও ১, এবার পুলিশের জালে নিরাপত্তারক্ষী
কিভাবে বহিরাগতরা কলেজের ভিতরে প্রবেশ করল তা নিয়ে নিরাপত্তা রক্ষীর ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। যখন ওই গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে তখন তিনি কোথায় ছিলেন?
Truth of Bengal: কসবা’ল কলেজে ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার আরও এক। এবার পুলিশ গ্রেফতার করল ওই কলেজের নিরাপত্তা রক্ষীকে। আগেই প্রধান অভিযুক্ত তিন জনকেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। নির্যাতিতা পুলিশের কাছে যে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তাদের ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়। এবার ওই কলেজে নিরাপত্তা রক্ষীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়।
কিভাবে বহিরাগতরা কলেজের ভিতরে প্রবেশ করল তা নিয়ে নিরাপত্তা রক্ষীর ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। যখন ওই গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে তখন তিনি কোথায় ছিলেন? ঘটনায় অভিযুক্তদের সঙ্গে তার কি কোন পূর্ব যোগাযোগ ছিল? ঘটনাটি তিনি কি জেনেও মুখ বন্ধ করেছিলেন? এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে পুলিশ। শনিবার নিরাপত্তা রক্ষীকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার আদালতে তোলা হবে তাকে।
কসবা কাণ্ডে পুলিশের জালে এবার নিরাপত্তারক্ষী pic.twitter.com/JSwcQ4mqbu
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) June 28, 2025
আরও পড়ুনঃ AISATS Controversy: ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনার কয়েকদিন পর অফিসে উদযাপন, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক
উল্লেখ্য, কলেজের মধ্যে ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় শুক্রবার গ্রেফতার হয় ৩ জন। ধৃতদের মধ্যে একজন বর্তমান ছাত্র ও দু’জন প্রাক্তনী রয়েছেন বলে জানা যায়। এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ কলকাতার কসবার ল’কলেজে। পুলিশের কাছে অভিযোগ জমা পড়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ৩ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রাজ্য প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত বুধবার এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। অভিযোগকারিণীকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/
পরে ওই ছাত্রী কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে দ্রুততার সঙ্গে পদক্ষেপ করে পুলিশ। প্রথমে দু’জনকে ধরা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল অভিযুক্ত মনোতোষ মিশ্র নামে যুবকের খোঁজ পাওয়া গেলে তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীকে ডাকা হয়েছিল। তিনি যাওয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে রাত সাড়ে আটটার মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হন তিনি বলে অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতা। ওই ছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করানো হয় হাসপাতালে। ৩ ধৃতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার তাদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়। শুক্রবার বিকেলে ওই কলেজের যায় ফরেনসিক টিম। নমুনা সংগ্রহ করা হয় বলে জানা যাচ্ছে।






