মা কালীর জন্য সোনার জিভ, নিজের জন্য গিনির হার! ধনতেরসে কী কী কিনলেন কৌশানী?
সোনার গয়নার প্রতি অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের ভালোবাসার কথা কারও অজানা নয়
Truth of Bengal: ধনতেরাস মানেই সোনা-রুপো কেনার ধুম। ধনত্রয়োদশীর শুভক্ষণে সামর্থ্য অনুযায়ী সোনা কিংবা রুপোর গয়না কেনাকে শুভ বলে মনে করেন অনেকেই। সেই তালিকায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রয়েছেন টলিউডের তারকারাও। তবে তাঁদের কাছে সোনা শুধুই সাজের উপকরণ নয়, আবেগের পাশাপাশি ভবিষ্যতের সঞ্চয়েরও অন্যতম মাধ্যম। সোনার গয়নার প্রতি অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের ভালোবাসার কথা কারও অজানা নয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে বাড়ির পুজো, প্রায়ই নজরকাড়া সোনার গয়নায় দেখা যায় তাঁকে। এই মুহূর্তে তাঁর অভিনীত ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ নিয়ে ব্যস্ততা তুঙ্গে। ছবির প্রচার এবং হল ভিজিটের ব্যস্ততার মধ্যেও ধনতেরাসের কেনাকাটার জন্য সময় বের করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। এবছর নিজের জন্য কিনেছেন একটি গিনির হার। তবে শুধু নিজের সাজের কথা ভেবেই কেনাকাটা করেননি তিনি। বাড়িতে মা কালীর পুজোর জন্য কিনেছেন সোনার জিভও।
কৌশানীর কথায়, সারা বছরই সুযোগ পেলেই একটু একটু করে সোনা কেনেন তিনি। দুর্গাপুজোর আগেও নিজের পছন্দের বেশ কয়েকটি গয়না কিনেছিলেন। ছোটবেলা থেকেই সোনার প্রতি তাঁর আলাদা টান। অভিনেত্রীর কথায়, বাবাকে বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে মায়ের জন্য সোনার গয়না কিনতে দেখেই এই ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, ব্র্যান্ডেড ব্যাগ কিংবা দামি ঘড়ির পিছনে যখন এত টাকা খরচ করা হয়, তখন সোনায় বিনিয়োগ করাই বরং বুদ্ধিমানের কাজ। মায়ের একটি গিনির লকেটও তাঁর ভীষণ প্রিয়। মায়ের গয়না ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পরতেও ভালোবাসেন তিনি। অন্যদিকে, অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্যর কাছেও ধনতেরাসে সোনা কেনা দীর্ঘদিনের অভ্যাস। তবে সোনার ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ে কিছুটা চিন্তিত তিনি। আগের তুলনায় কেনার পরিমাণ কমলেও এবছর একটি আংটি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। অপরাজিতার কাছে সোনা নিছক শখ নয়, বরং ভবিষ্যতের আর্থিক সুরক্ষার অন্যতম ভরসা।
অভিনেত্রীর কথায়, অভিনয় জগতে কাজের নিশ্চয়তা সবসময় থাকে না। তাই কেরিয়ারের শুরু থেকেই অল্প অল্প করে সোনা কিনে জমিয়েছেন তিনি। সেই বিনিয়োগের সুফলও পেয়েছেন। একসময় যখন সোনার ভরি ছিল মাত্র পাঁচ হাজার টাকা, তখন বেশ কিছু গয়না কিনেছিলেন অপরাজিতা। আজ সেই গয়নাগুলির বাজারমূল্য অনেকটাই বেড়েছে। তবে সোনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আবেগের গল্পে রয়েছে কিছু মনখারাপও। অপরাজিতা জানিয়েছেন, মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছেন তিনি। মায়ের খুব বেশি গয়না ছিল না। অভিনয় শুরু করে নিজের উপার্জনের টাকায় মায়ের জন্য অনেক গয়না তৈরি করিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, একটা সময়ে সেই গয়নাগুলি চুরি হয়ে যায়। অন্যদিকে, নিজের প্রথম উপার্জনের টাকায় একটি মঙ্গলসূত্র তৈরি করিয়েছিলেন অপরাজিতা। সেটি এখন ভঙ্গুর হয়ে গেলেও মেরামত করাননি তিনি। কারণ, সেই গয়নার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কেরিয়ারের শুরুর দিনের অসংখ্য স্মৃতি।





