সুর বদলালেন ট্রাম্প! খামেনেইকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করে কি যুদ্ধের পথে এগোচ্ছে আমেরিকা?
নিবার তিনি ট্রাম্পকে দায়ী করেন ইরানের এত মানুষের মৃত্যুর জন্য।
Truth Of Bengal: গত কয়েকদিন ধরেই ইরানে যুদ্ধের ছায়া ঘন হতে শুরু করেছিল। কিন্তু তারপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিস্থিতি নরম করার মতো একটি ইঙ্গিত দেন। আন্দোলনকারীদের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করায় তিনি ইরানকে ধন্যবাদ জানান। কিন্তু এরপর আচমকাই ডিগবাজি ট্রাম্পের। আয়াতোল্লা আলী খামেনেইকে সরিয়ে দিয়ে ইরানের সরকার উৎখাতের ডাক দেন তিনি। এতে জল্পনা ছড়ায়, কি এবার মার্কিন সেনা ইরানে আক্রমণ চালাবে?
সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প বলেন, ইরানে এখন নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে। তিনি খামেনেইকে দায়ী করে বলেন, ইরানকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে তিনি অংশ নিচ্ছেন। দেশে যে হিংসা চলছে, তা আগে দেখা যায়নি। তিনি দাবি করেন, হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং সময় এসেছে দেশটির নেতৃত্ব বদলের। ট্রাম্প আরও বলেন, নেতৃত্বের মধ্যে শ্রদ্ধা থাকা উচিত, ভয় বা মৃত্যুর মাধ্যমে শাসন নয়। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শাসনের জন্য অযোগ্য, তিনি অসুস্থ এবং তার উচিত দেশ পরিচালনা করা ও মানুষ হত্যা বন্ধ করা। দুর্বল নেতৃত্বের কারণে ইরান বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে, এমন মন্তব্যও করেন তিনি।
কিন্তু কেন সুর নরম করার পর আবার টোন বদলালেন ট্রাম্প? তার কারণ ছিল খামেনেইয়ের তীব্র সমালোচনা। শনিবার তিনি ট্রাম্পকে দায়ী করেন ইরানের এত মানুষের মৃত্যুর জন্য। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, দেশের অস্থিরতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের ট্রাম্প মহিমান্বিত করছেন। খামেনেই দাবি করেন, ইরানে অস্থিরতার পেছনে ইজরায়েল ও আমেরিকা আছে। বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীগুলি সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করছে এবং হিংসা ছড়াচ্ছে। তাদের উস্কানি দিচ্ছে তেল আভিভ ও ওয়াশিংটন। খামেনেইয়ের এই মন্তব্যের পরই ফের ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।






