বাংলাদেশে চন্দ্রবোড়া আতঙ্ক, পাঁচ মাসে সাপের কামড়ে মৃত ৩৮
38 dead from snake bites in last five months
The Truth of Bengal : বাংলাদেশে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত ‘রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া’ সাপের কামড়ে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এই পাঁচ মাসে সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন ৬১০ জন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের ৩৫ জন পুরুষ ও তিনজন নারী।
বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন রাসেলস ভাইপার নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সাপের দংশনের শিকার হয়ে মোট ৪১৬ জন রোগী ভর্তি হন। এদের মধ্যে বিষধর ৯১টি। এর মধ্যে ১৮টি রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া)। এদের মধ্যে মোট ১১ জন রোগী মারা যান, যার মধ্যে চন্দ্রবোড়ার দংশনের কারণে মারা যান পাঁচজন।
রোবেদ আমিন বলেন, “বিষধর সাপে কাটার স্বীকৃত চিকিৎসা হচ্ছে অ্যান্টিভেনম। অ্যান্টিভেনম কেনা, বিতরণ, সংরক্ষণ, ব্যবহার এবং ব্যবহার পরবর্তী নজরদারির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মসূচি না থাকা সত্ত্বেও অ্যান্টিভেনম প্রয়োগের সুফল লক্ষণীয়। সর্পদংশনে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “দেশে সাপের দংশনে নীতিগতভাবে একটি স্বীকৃত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। ২০২২ সালে পরিচালিত জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৪ লাখের অধিক মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হয়। যার মধ্যে দুঃখজনকভাবে প্রায় সাড়ে সাত হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। সাপের বিষয়ে অপর্যাপ্ত তথ্য থাকা সত্ত্বেও প্রধান ‘বিষধর’ সাপের মধ্যে গোখরা, ক্রেইট, চন্দ্রবোড়া (রাসেলস ভাইপার) ও সবুজ সাপ অন্যতম। কিছু কিছু সামুদ্রিক সাপের দংশনের তথ্য আছে।”






