
The Truth of Bengal: দণ্ড সংহিতার তিনটি বিল প্রত্যাহার হলেও তা নতুন ভাবে পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই বিলের ওপর বৃহস্পতিবার আলোচনার পরে শুক্রবার ভোটাভুটি হবে বলে লোকসভায় জানিয়েছেন শাহ। বিলগুলোর ওপর আলোচনার জন্য লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা ১২ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করেছেন। কিন্তু এত স্বল্প সময়ে এই গুরুত্বপূর্ণ এই বিল নিয়ে আলোচনা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছে বিরোধীরা। আগের মতো একই অভিযোগে অনড় বিরোধীরা। কেন্দ্রের কাছে প্রশ্ন, দণ্ডসংহিতা বিল পাসে কেন্দ্র এত তাড়াহুড়ো কেন করা হচ্ছে?
প্রত্যাহার করা হলেও যেহেতু দণ্ডসংহিতার তিনটি বিল নতুন করে পেশ করা হয়েছে, তাই সেই বিল যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানোর দাবি তুলেছিলেন কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরি। অধীরের সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিলগুলিকে পাঁচটি খণ্ডে সংশোধন করা হয়েছে। ভাষা এবং ব্যাকরণ সংক্রান্ত সংশোধন করা হয়েছে।
গত বাদল অধিবেশনে সংসদে পেশ হয়েছিল এই তিনটি বিল। প্রথম থেকেই তিনটি বিলের বিরোধিতা করে এসেছে বিরোধীরা। কলকাতায় থাকাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখে এই বিল নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য ছিল, এই তিনটি বিল নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা দরকার। এত তাড়াহুড়ো করার কারণ নেই। বিলটি পেশ হওয়ার পর নানা মহলে সমালোচনার ঝড় উঠতেই সংসদের স্ট্যান্ডিং কমিটিতে পাঠানো হয়।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম— এতদিন দেশে প্রচলিত আইনের আমুল বদল আনার জন্য তিনটি বিল নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই বিলের খসড়া নিয়েই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছিল। ১৮৬০ সালের ইন্ডিয়ান পেনাল কোড বা ভারতীয় দণ্ডবিধি এবার হতে চলেছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা। সিআরপিসি বদলে গিয়ে হবে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা। এবং এভিডেন্স অ্যাক্ট বদলে হবে ভারতীয় সাক্ষ্য আইন। যা বলা হয়েছে এই তিনটি বিলে। আপাতত সেই বিল প্রত্যাহার করা হল।






