দেশ

ডেডলাইন পেরিয়েও জবাব নেই, চতুর্থবার স্পিকারের কাছে সময় চাইলেন কাকলি ঘোষদস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ

ওম বিড়লার কাছে আরও দু’সপ্তাহ সময় চেয়েছেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার-সহ ২০ জন

Truth of Bengal: তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের জবাব জমা দেওয়ার সময়সীমা ফের বাড়ানোর আবেদন। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে আরও দু’সপ্তাহ সময় চেয়েছেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার-সহ ২০ জন। তাঁদের আর্জি, আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হোক। এর আগে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যেও জবাব জমা পড়েনি। ফলে এই নিয়ে চতুর্থবার সময় চাওয়ায় বিষয়টি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।

প্রথমে লোকসভার অধ্যক্ষের দফতর থেকে জানানো হয়েছিল, ৮ অক্টোবরের মধ্যে জবাব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের। গত ২২ সেপ্টেম্বর এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে না পারায় ফের সময় চাওয়া হয়। গত ৮ অক্টোবর অধ্যক্ষের দফতরে ই-মেল পাঠিয়ে আরও দু’সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন সাংসদদের তরফে। সেই আবেদনের পর ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর ফের নতুন করে সময় চাইলেন তাঁরা। এই বিতর্কের সূত্রপাত তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ২০ জন সাংসদের এনসিপিআই-তে যোগদানকে কেন্দ্র করে। ওই সাংসদদের পদ খারিজের দাবিতে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে পৃথক ২০টি চিঠি দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, দলত্যাগের কারণে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এই সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত সংশ্লিষ্ট সাংসদদের জবাব দেওয়ার জন্য এক মাস সময় দিয়েছিল। সেই সময়সীমা ২০ অক্টোবর শেষ হলেও জবাব জমা না পড়ায় ফের সময় চাওয়ার প্রয়োজন হল তাঁদের।সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই মামলায় লোকসভার অধ্যক্ষের জন্য নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা বেঁধে দেয়নি। তবে পুরো বিষয়টিতে স্পিকারের পদক্ষেপ আদালতের নজরদারিতে থাকবে বলে স্পষ্ট করে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।

Related Articles