রাজ্যভিত্তিক পথদুর্ঘটনা রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য!
মন্ত্রকের এক পদস্থ কর্মকর্তার মতে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার পেছনে দায়ী হলো ওভারস্পিডিং।
Truth Of Bengal: ভারতের সড়কগুলো ক্রমেই কি পথচারীদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে? ট্রাফিক আইনকে উপেক্ষা করে রাস্তায় চলাচল, নাকি বেপরোয়া গতির প্রলোভন—যা কারণই হোক না কেন, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রকের সাম্প্রতিক রিপোর্ট এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। ২০২৩ সালে দেশজুড়ে পথদুর্ঘটনার সংখ্যা পৌঁছেছে ১,৫১,৯৯৭-এ। এই দুর্ঘটনার ফলে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৪৬,০০০ মানুষ।
মন্ত্রকের এক পদস্থ কর্মকর্তার মতে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার পেছনে দায়ী হলো ওভারস্পিডিং। ২০২৩ সালে ঘটে যাওয়া মোট দুর্ঘটনার ৭২ শতাংশের বেশি—১,১০,০২৭টি—ওভার স্পিডের কারণে। এর ফলে প্রাণহানি হয়েছে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭৫ শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসেবে রয়েছে মদ্যপান করে গাড়ি চালানো। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ২০২৩ সালে ৩,২৬৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে প্রায় ১,৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনাপ্রবণতার দিক থেকে যে রাজ্যগুলো শীর্ষে রয়েছে, তার মধ্যে প্রথমে তামিলনাডু, এরপর যথাক্রমে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, কেরালা, মহারাষ্ট্র, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, রাজস্থান ও বিহার। বাংলায় পথদুর্ঘটনা কমানোর জন্য প্রথমে কলকাতা এবং পরে রাজ্যের অন্যান্য অংশে চালু হয়েছিল ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ প্রকল্প। এই উদ্যোগের সফলতার প্রমাণ পাওয়া যায়—দুর্ঘটনাপ্রবণ রাজ্যের তালিকায় প্রথম দশে বাংলার নাম নেই।
সুতরাং, দেশের সড়ক নিরাপত্তা এখনও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। ওভারস্পিডিং এবং অদক্ষ/নেশাগ্রস্ত ড্রাইভিং রোধ না করা পর্যন্ত পথদুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির সংখ্যা কমানো কঠিন।






