প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে বস্তি উচ্ছেদের নির্দেশ! নোটিস দিল দিল্লি হাই কোর্ট
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জায়গা খালি না করলে পুলিশের সহযোগিতায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো যেতে পারে বলেও স্পষ্ট করেছে আদালত
Truth of Bengal: নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবনের আশপাশে থাকা তিনটি বস্তি খালি করতে ছয় সপ্তাহ সময় দিল দিল্লি হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে সাড়ে তিনশোরও বেশি বাসিন্দাকে ওই এলাকা ছেড়ে সরকারের নির্ধারিত পুনর্বাসন কেন্দ্রে চলে যেতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জায়গা খালি না করলে পুলিশের সহযোগিতায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো যেতে পারে বলেও স্পষ্ট করেছে আদালত। মঙ্গলবার বিচারপতি ডিকে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। সেখানেই বিআর ক্যাম্প, মসজিদ ক্যাম্প এবং ডিআইডি কলোনির বস্তিগুলি সরানোর নির্দেশ বহাল রেখে বাসিন্দাদের ছয় সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের কাছে লোককল্যাণ মার্গ—যার পুরনো নাম রেসকোর্স রোড—সংলগ্ন ওই তিনটি বস্তি সরানোর প্রক্রিয়া আগেই শুরু করেছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের অধীন ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের তরফে বাসিন্দাদের ৬ মার্চের মধ্যে জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে শুধু উচ্ছেদ নয়, ওই পরিবারগুলির পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে সরকারের দাবি। দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ড বা ডিইউএসআইবি-র মাধ্যমে সাভদা ঘেভরা এলাকায় বিকল্প ফ্ল্যাট বরাদ্দ করা হয়েছে। ওই পুনর্বাসন প্রকল্পেই বস্তিবাসীদের স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারি নির্দেশের পরেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বস্তিগুলি সম্পূর্ণ খালি হয়নি। সেই পরিস্থিতিতেই বিষয়টি আদালতে পৌঁছয়। শুনানির পর দিল্লি হাই কোর্ট বাসিন্দাদের শেষবারের মতো ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে বাসিন্দাদের সরকারের দেওয়া পুনর্বাসন কেন্দ্রে সরে যেতে হবে। অন্যথায় প্রশাসন পুলিশি সহায়তায় উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে। ফলে প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের আশপাশের এই তিনটি বস্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন আপাতত নতুন পর্যায়ে পৌঁছল। এখন আদালত নির্ধারিত ছয় সপ্তাহের মধ্যে কত পরিবার পুনর্বাসনের ফ্ল্যাটে চলে যায়, সেদিকেই নজর থাকবে।






