ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল কেন্দ্রীয় বাহিনীর, চলে নাকা তল্লাশি
Patrolling of Jharkhand border area by central forces, naka naka search

The Truth Of Bengal: শনিবার ঘোষণা হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ। আর দিন ঘোষণা হতেই সব দলের প্রার্থীরা ঝাঁপিয়ে পড়েছেন প্রচারে। রাজনৈতিক দলগুলির এই সক্রিয়তার পাশাপাশি পথে নামছে পুলিশ-প্রশাসন। রবিবার সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় টহল দিতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। বিশেষ করে ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল ও নাকা তল্লাশি ছিল চোখে পড়ার মতো।
নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। তার আগে রাজ্যে এসে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল। একদিকে প্রচার চালাচ্ছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। অন্যদিকে টহল দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। রবিবার আসানসোলের কুলটি থানার চৌরঙ্গি ফাঁড়ির পুলিশের পক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে সবনপুর কল্যাণেশ্বরী, ডুবুরডিহি, কদভিটা, দেবীপুর সহ চৌরঙ্গি ফাঁড়ির বিভিন্ন গ্রামে রুট মার্চ করা হয়। মূলত নির্বাচনের আগে ভোটারদের অভয় দিতে ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অনেক আগেকেই এই পদক্ষেপ করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে।
অন্যদিকে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই পশ্চিমবাংলা ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের ডুবুরডিহি চেকপোস্ট অঞ্চলে কুলটি থানার চৌরঙ্গি ফাঁড়ির পুলিশের ও কুলটি ট্রাফিক গার্ড পুলিশের পক্ষ থেকে নাকা তল্লাশি শুরু হয়েছে। ঝাড়খণ্ড ও বিহার থেকে আসা চারচাকা গাড়ি ও মোটর বাইক থামিয়ে তল্লাশি সহ যাত্রীদের গন্তব্য ও আসার উদ্দেশ্য নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে দেখা যায় পুলিশকে।
অন্যদিকে, কেন্দ্র বাহিনীর জওয়ানদের টহল দিতে দেখে গেল আরামবাগের বিভিন্ন এলাকায়। রবিবার হুগলির গোঘাট ২ নম্বর ব্লকের কামারপুকুর পঞ্চায়েতের বেশ কিছু এলাকায় শুরু হয়েছে রুটমার্চ। এইদিন গোঘাট থানার পুলিশ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে এলাকায় গ্রামে গ্রামে ঘোরে। পুলিশ জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের ভয় ভীতি কাটাতে এখন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে পথে নামছে পুলিশ। টহল দেওয়ার পাশপাশি গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ। ভোট সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে সমস্যা হলে দ্রুত থানায় যোগাযোগের জন্য আবেদন করার কথা বলা হয়েছে পুলিশের তরফে।
FREE ACCESS






