দেশ

লিকার স্ক্যামে নতুন মোড়, ফের গ্রেফতার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে

পরে বিশেষ আদালত নির্দেশ দেয়, আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত চৈতন্য ও দীপেন চাওদাকে এসিবি/ইওডব্লিউ হেফাজতেই রাখা হবে।

Truth Of Bengal: মদ কেলেঙ্কারি মামলায় ফের গ্রেফতার হলেন ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের ছেলে চৈতন্য বাঘেল। তাঁকে এসিবি/ইওডব্লিউ (অ্যান্টি করাপশন ব্যুরো/ইকোনমিক অফেন্সেস উইং) গ্রেফতার করেছে। শুধু চৈতন্য নন, মামলায় অভিযুক্ত দীপেন চাওদাকেও হেফাজতে নিয়েছে সংস্থা।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ জারি হওয়ার পর চৈতন্যকে আদালতে হাজির করা হয়।(Liquor Scam)

আরও পড়ুনঃ Bilateral Ties: সব টানাপোড়েন অতীত! খুব শীঘ্রই মুখোমুখি বৈঠকে বসছেন মোদি ও ট্রাম্প

২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ভূপেশ বাঘেল নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারের আমলে ঘটে এই বহুচর্চিত লিকার স্ক্যাম। অভিযোগ, বেআইনি মদ বিক্রির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে, যার ফলে রাজ্যের রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, এই বেআইনি ব্যবসা থেকে গঠিত ‘কমিশন’ সরাসরি শীর্ষ রাজনৈতিক স্তরে পৌঁছেছে এবং এর অন্যতম সুবিধাভোগী ছিলেন চৈতন্য বাঘেল। অভিযোগ অনুযায়ী, পুরো কেলেঙ্কারির অঙ্ক প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকারও বেশি। ইডির তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, চৈতন্য ব্যক্তিগতভাবে প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।(Liquor Scam)

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/

এর আগে চলতি বছরের ১৮ জুলাই, ৩৮তম জন্মদিনে ভিলাইয়ের বাড়ি থেকে চৈতন্যকে গ্রেফতার করে ইডি। তারপর থেকে তিনি বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইডি রায়পুরের বিশেষ আদালতে ৭০৩৯ পাতার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছিল, যেখানে চৈতন্যকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়। অভিযোগ, তিনি তার রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মাধ্যমে ১৬.৭০ কোটি টাকার অবৈধ অর্থ সাদা করে ‘ভিত্তল গ্রিন প্রজেক্ট’ সহ একাধিক প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছেন।  আর সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আবারও গ্রেফতার হলেন ভূপেশ বাঘেলের ছেলে চৈতন্য বাঘেল। এই ঘটনা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্বের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলি বিজেপির নির্দেশে বিরোধীদের টার্গেট করছে।(Liquor Scam)