“…ক্ষমা চাওয়াব”, মালদার সভা থেকে তিন মাস সময় চেয়ে কী বললেন অভিষেক?
তিনি স্পষ্ট জানান, বিজেপিকে যোগ্য শিক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র তৃণমূলেরই আছে।
Truth Of Bengal: বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই ফের সুর চড়ালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মালদহের জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন তিনি। একইসঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে তৃণমূলের এই শীর্ষ নেতা হুঙ্কার দিলেন, “২৬-এর ভোটে সিনেমা দেখাব, তৈরি থাকুন।”
এবারের নির্বাচনে পরিযায়ী শ্রমিকদের ইস্যুকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ঘাসফুল শিবির। ভিন রাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থা ও ‘বাংলাদেশি’ অপবাদ দিয়ে জেলে পাঠানোর ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অভিষেক বলেন, “যাঁরা আপনাদের জেলে ঢুকিয়েছে, তাঁদের দিয়ে ক্ষমা চাওয়াব। আমাকে তিন মাস সময় দিন, কেন্দ্রের সরকার বদলাবে।” তিনি স্পষ্ট জানান, বিজেপিকে যোগ্য শিক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র তৃণমূলেরই আছে।
কংগ্রেস ও বামেদের আক্রমণ করে অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, “মালদহ দক্ষিণের সাংসদ বা কর্নাটক-তেলেঙ্গানার কংগ্রেস সরকার কেন বাংলার শ্রমিকদের হেনস্থা রুখতে উদ্যোগী হচ্ছে না?” তাঁর দাবি, মালদহের মানুষকে যাঁরা বোকা ভাবছেন, তাঁরা ভুল করছেন। তিনি বলেন, “বাংলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে রুখতে এ রাজ্যের মানুষ তৈরি।”
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রীর সভার পাল্টা হিসেবে একই মাঠে সভা করার কথা ঘোষণা করেছেন অভিষেক। তাঁর কথায়, “ফেব্রুয়ারির শুরুতে ট্রেলার দেখাব আর বিধানসভা ভোটে হবে আসলি খেলা। এবার পদ্মফুল উপড়ে ফেলা হবে।”
সম্প্রতি সোনালি খাতুন কিংবা মহারাষ্ট্রের জেলে বন্দি থাকা শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে অভিষেক যে জন সংযোগ শুরু করেছেন, তাকেই এদিন জনসভায় আরও সংহত রূপ দিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলিতে শ্রমিকদের এই আবেগকেই হাতিয়ার করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।






