দেশ

Marital Cruelty: সহবাসে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে ডিভোর্স, ওড়িশা হাইকোর্টের রায় শুনে হতবাক সবাই!

Marital Cruelty ruling by Orissa High Court states that denying intimacy without valid reason amounts to mental abuse.

Truth Of Bengal: দীর্ঘদিন ধরে কোনো বৈধ কারণ বা শারীরিক অক্ষমতা ছাড়াই স্বামীকে সহবাসে রাজি না হওয়া এক ধরনের মানসিক নির্যাতন। সম্প্রতি ওড়িশা হাইকোর্ট এক গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায়ে এমনটাই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে(Marital Cruelty)। পারিবারিক আদালত থেকে খারিজ হওয়া একটি বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় আবেদনকারী স্বামীর পক্ষে রায় দিয়ে আদালত বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রি মঞ্জুর করে। এই রায় দাম্পত্য কলহ সংক্রান্ত মামলায় এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।

[আরও পড়ুনঃ চন্দ্রযান ৩ এর সাফল্যে মহাকাশভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা কলকাতায়]

মামলাটি শুরু হয়েছিল যখন একজন স্বামী পারিবারিক আদালতে হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫-এর অধীনে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন জানান। তাঁর স্ত্রী-ও সংসার পুনরুদ্ধারের জন্য একটি পাল্টা মামলা করেন(Marital Cruelty)। পারিবারিক আদালত উভয় আবেদনই খারিজ করে দেয়। এরপর স্বামী সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন।

FB POST:https://www.facebook.com/truthofbengal

বিচারপতি অরিন্দম সিনহা এবং বিচারপতি সিব শঙ্কর মিশ্রের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। আদালত পর্যবেক্ষণ করে যে, স্বামী বারবার অন্তরঙ্গ হওয়ার চেষ্টা করলেও স্ত্রী একতরফাভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন(Marital Cruelty)। স্বামীর উপস্থাপিত ব্যক্তিগত বার্তাগুলো থেকে এর প্রমাণ মেলে। অন্যদিকে, স্ত্রী প্রথমে সম্পর্ক স্বীকার করলেও পরে তাঁর সাক্ষ্যে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে।

স্ত্রী নিজেই আদালতে স্বীকার করেন যে তাঁদের বিবাহটি অনিষ্পন্ন রয়ে গেছে। তিনি এর পেছনে কোনো শারীরিক অক্ষমতা বা বৈধ কারণ দেখাতে পারেননি। আদালত জানায়, এর অর্থ হল তিনি একতরফাভাবে সহবাসে রাজি ছিলেন না। হাইকোর্ট আরও মন্তব্য করে যে, পারিবারিক আদালতের এই রায়, “কিছু না কিছু শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল”- বাস্তববিরোধী, কারণ স্ত্রী নিজেই অনিষ্পন্ন বিবাহের কথা স্বীকার করেছিলেন।

হাইকোর্ট পারিবারিক আদালতের রায় বাতিল করে এবং স্বামীকে বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদান করে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় ভবিষ্যতে দাম্পত্য কলহ সংক্রান্ত মামলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে। বিশেষ করে বিবাহিত জীবনে সহবাস এড়িয়ে চলা, যদি তা একতরফা এবং কোনো কারণ ছাড়া হয়, তবে তা মানসিক নির্যাতনের শামিল হতে পারে বলে এই রায় প্রমাণ করে।