বিসর্জন ঘিরে অশান্তি কটকে, বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা
গেরুয়া শিবিরের তীব্র সমালোচনা করে সোমবার ১২ ঘন্টা বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফ থেকে।
Truth Of Bengal: দুর্গামূর্তি বিসর্জন ঘিরে চরম অশান্তি বিজেপি শাসিত ওড়িশার কটকে। শনিবার থেকেই দেখা গিয়েছিল দফায় দফায় সংঘর্ষ। শুধু তাই নয়, আগুন লাগানো ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। রবিবারও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। ঘটনার পরই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শহরের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। গেরুয়া শিবিরের তীব্র সমালোচনা করে সোমবার ১২ ঘন্টা বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফ থেকে।(Odisha )
আরও পড়ুনঃ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর তোড়জোড়! বাজারে ভিড়, বাড়ছে জিনিসের দাম
ঘটনার সূত্রপাত শনিবার থেকে। পুলিশ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে সেদিন রাত দেড়টা নাগাদ কটকের হাতিপোখরির কাছে কিছু পুজো কমিটি যাচ্ছিল বিসর্জন দিতে। জোরে গান বাজানো নিয়ে আপত্তি জানান স্থানীয়রা। তর্কাতর্কি থেকে সেটা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। তখন আশপাশের বাড়ির ছাদ থেকে একদল দুষ্কৃতি পাথর ও কাচের বোতল ছুড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ। তারপরই গোটা এলাকা যুদ্ধক্ষেত্রের রূপ নেয়। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি গাড়ি ও দোকানপাট। গুরুতর আহত হয়েছেন একাধিক ব্যক্তি। তবে এরপর বিসর্জন হয় কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় রবিবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ।(Odisha )
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
অন্যদিকে, রবিবার কটকের একটি সংগঠন বাইক র্যালির অনুমতি চাওয়ায় পুলিশ তা না দেওয়ায়, ফের অশান্তি সৃষ্টি হয়। পুরো বিষয়টি প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন ভুবনেশ্বর-কটকের পুলিশ কমিশনার সুরেশ দেবদত্ত সিংহ। তাঁর বক্তব্য, “অনুমতি দেওয়া হয়নি সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার আশঙ্কায়। ৪ জন আহত হয়েছেন পাথরের আঘাতে। ৩ জন ছাড়া পেলেও একজন চিকিৎসাধীন।”(Odisha )
এই পর্যন্ত ৬ জনকে পুলিশের তরফ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে। অন্যদিকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বিক্ষোভ দেখিয়েছে ডিসিপি ও জেলাশাসকের বদলির দাবিতে। তাদের বক্তব্য, প্রশাসনকে লাগাতার জানানো হয়েছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা ব্যর্থ নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে। বিজু জনতা দলও এই অশান্তির নিন্দা করেছে। তবে আহতদের বিনা খরচায় চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি।






