ED: গ্লোবাল সাইবার প্রতারণা মামলা: ১১টি স্থানে ইডি-র তল্লাশি অভিযান
ইডি (ED) জানিয়েছে, অভিযুক্তরা নিজেদের কখনও পুলিশ কর্মকর্তা, আবার কখনও মাইক্রোসফট ও অ্যামাজনের টেকনিক্যাল সহায়তা কর্মী পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় করত।
Truth Of Bengal: গ্লোবাল সাইবার প্রতারণা মামলার তদন্তে দিল্লি, নয়ডা, গুরগাঁও ও দেরাদুন মিলিয়ে ১১টি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ৬ আগস্ট এই অভিযান পরিচালিত হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (PMLA)-এর আওতায় তদন্তটি শুরু হয়েছে সিবিআই এবং দিল্লি পুলিশের দায়ের করা একাধিক এফআইআরের ভিত্তিতে।
Enforcement Directorate (ED) is conducting search operations at 11 premises situated at Delhi, Noida, Gurugram and Dehradun in the matter of global cyber fraud. The investigation under Prevention of Money Laundering Act was initiated on the basis of FIRs registered by CBI and…
— ANI (@ANI) August 6, 2025
ইডি (ED) জানিয়েছে, অভিযুক্তরা নিজেদের কখনও পুলিশ কর্মকর্তা, আবার কখনও মাইক্রোসফট ও অ্যামাজনের টেকনিক্যাল সহায়তা কর্মী পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় করত। পরে এই অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর করা হতো।
[আরও পড়ুন: Cyber Fraud: গ্লোবাল সাইবার প্রতারণা মামলায় বড় অভিযান ইডির, ৪২.৮ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত]
তদন্তে উঠে এসেছে, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ₹২৬০ কোটি মূল্যের বিটকয়েন হস্তান্তর করা হয়েছিল। এসব ডিজিটাল সম্পদ পরে ইউএসডিটি (USDT) এবং হাওলা চ্যানেলের মাধ্যমে নগদ অর্থে রূপান্তর করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো হয় বলে ইডি জানিয়েছে। এই মামলায় ভারতীয় ও বিদেশি উভয় নাগরিকই ভুক্তভোগী বলে তদন্তে জানা গেছে। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।






