
The Truth Of Bengal: ভোটের ঢাক বেজে গেছে।গণতন্ত্রের মহোত্সব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য কমিশনের তত্পরতা নজরকাড়া।বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশের এই জনাদেশ নেওয়ার প্রক্রিয়ার মাঝে বোমা ফাটাল মাইক্রোসফট।মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল।বিল গেটসের বিস্ফোরক তথ্য, সামনে আনল,কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে কাজে লাগিয়ে ভারতের এই ভোট প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে চাইছে চিন।আর এই সতর্কবার্তা যখন প্রকাশ্যে এল তখন চিনের এই দুষ্টুমির হাজারো উদাহরণও সামনে এসেছে।এআই ব্যবহার করে চিন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ব্যাহত করে বলে অভিযোগ ওঠে।
গতমাসে মাইক্রোসফটের কো-ফাউন্ডার বিল গেটস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে নয়াদিল্লিতে মিলিত হন।তিনি এআইকে সামাজিক কারণে ব্যবহার করা বা নারীশক্তির বিকাশে কাজে লাগানোর পক্ষে মতপ্রকাশ করেন।এমনকি স্বাস্থ্য,কৃষির মতো সৃজনশীল কাজেও এআইয়ের ব্যবহার বাড়ানোর পক্ষে সোচ্চার হন।এর মাঝে মাইক্রোসফটের ইনটালিজেন্স গ্রুপের তথ্য মোতাবেক,ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটানোর ছক কাজে লাগানো হচ্ছে।চব্বিশের নির্বাচনকে টার্গেট করার এই প্রক্রিয়া আদপে বেশ বিপদজনক।
কিভাবে চিন এই ভারতের নির্বাচন নিয়ে নিম্নমাণের খেলা খেলতে পারে ? চাঞ্চল্যকর তথ্যে স্পষ্ট, এআইয়ের সাহায্যে জনমতকেও তাঁরা প্রভাবিত করতে পারে। জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে এমনকি সিজিনপিংয়ের নিয়ন্ত্রিত প্রশাসন, সোশ্যাল মিডিয়ায় এআইয়ের সাহায্যে বিকৃত ছবি বা বিষয়বস্তু বাজারে ছেড়ে ভোট প্রক্রিয়ায় জলঘোলা করতে পারে। এমনকি এআইয়ের সাহায্যে ডিপফেক ছবি বাজারে এনে রাজনৈতিক বিতর্ক বা বিভিন্ন দলের সম্পর্কে অপপ্রচার করার সম্ভাবনাও রয়েছে।তাই যেভাবে রশ্মিকা মান্দানা,অমিতাভ বচ্চন বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখাবয়ব বিকৃতির অভিযোগ উঠেছে সেভাবেই এই নির্বাচনী প্রচারেও ফেকভিডিও ছেড়ে নির্বাচনে ব্যাঘাত ঘটানো হতে পারে বলেও সরব মাইক্রোসফট মনে করছে।






